সৌজন্যে ইন্ডিয়া টিভি

পাটনা: টানা ৩১ ঘণ্টার লড়াই শেষ৷ ১১০ ফুট গর্ত থেকে উদ্ধার তিন বছরের সানা৷ যাবতীয় উদ্বেগ, উৎকন্ঠায় পড়ল ইতি৷ নতুন জীবন ফিরে পেল সানা৷ হাসি ফিরে এলো সানার পরিবারের মুখে৷

বিহারের মুঙ্গেরের মুর্গিয়াচকে মঙ্গলবার খেলতে খেলতে ১১০ ফুট গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সানা৷ এনডিআরএফ, সেনা ও পুলিশের যৌথ দল ৩১ ঘণ্টা পর তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে৷ ততক্ষণে প্রচুর মানুষের ভিড় জমে যায়৷ গর্ত থেকে বার করার পর হাততালি ও উল্লাসে ফেটে পড়েন তাঁরা৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর মাটিতে মাখামাখি অবস্থায় সানাকে মুঙ্গেরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ ভরতি করা হয়েছে আইসিইউতে৷ চিকিৎসকরা জানিয়েছে, সানা সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে৷

স্থানীয়রা জানিয়েছে, গভীর নলকূপের জন্য ওই গর্ত খোঁড়া হয়েছিল৷ বাড়ির সদস্য ও প্রতিবেশীরা প্রথমে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে৷ কিন্তু ব্যর্থ হয়৷ খবর দেওয়া হয় পুলিশকে৷ আসে দমকল৷ তারা ব্যর্থ হওয়ায় ঘটনাস্থলে আসে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী৷ রীতিমত পরিকল্পনা করে উদ্ধারকাজ শুরু করেন তারা৷ ওই গর্তের পাশে সমান্তরাল একটি টালেন খোঁড়া হয়৷ শিশুটির যাতে শ্বাসকষ্ট না হয় তার জন্য একটি অক্সিজেন পাইপ পাঠানো হয়৷ পর্যাপ্ত আলো দেওয়া হয়৷ সেই সঙ্গে খাবার ও চকোলেট পাঠানো হয় যাতে সে অভুক্ত না থাকে৷

এই ভাবে ৩১ ঘণ্টার যুদ্ধ চলার পর এনডিআরএফ টিমের তিন সদস্য সানার কাছে পৌছন৷ কিন্তু চ্যালেঞ্জের শেষ সেখানেই ছিল না৷ কারণ সানার মাথা ছিল উলটো দিকে৷ ওই অবস্থায় তাকে নিরাপদ ভাবে বের করে আনা হয়৷ গর্ত থেকে মেয়েটিকে বের করে আনার পরই সেটি বুজিয়ে দেওয়া হয়৷ যাতে আর কোনও অঘটন না ঘটে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।