মেলবোর্ন: শনিবার ১৫টি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশগ্রহণ করতে মেলবোর্ন পৌঁছলেন  প্রতিযোগী ও অন্যান্য সহ ১২০০ জন। কিন্তু আসার পথে মাঝপথেই ৩ সদস্যের করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হঠাতই দুশ্চিন্তায় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষ। লস অ্যাঞ্জেলস এবং আবু ধাবি থেকে মেলবোর্নগামী দু’টি বিমানের তিনজন ক্রু মেম্বারের/ কর্মীর শরীরে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ মেলায় মেলবোর্ন পৌঁছে আইসোলেশনে প্রবেশ করতে হল ৪৭ জন প্রতিযোগীকে।

জানা গিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলস থেকে মেলবোর্নগামী বিমানের এক ক্রু মেম্বার এবং এক কর্মী, অন্যদিকে আবু ধাবি থেকে মেলবোর্নগামী বিমানে এক নন-প্লেয়ার প্যাসেঞ্জার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইসোলেশনে প্রবেশ করা এই দুই বিমানের ৪৭ জন প্রতিযোগীকে আগামী ১৪ দিন হোটেলের বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে দিনে সর্বোচ্চ ৫ ঘন্টা অবধি কড়া শর্তবিধি মেনে তারা অনুশীলন করার অনুমতি পেয়েছেন বাকিরা।

ভিক্টোরিয়া প্রদেশের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলস থেকে মেলবোর্নগামী বিমানে ছিলেন জাপানি তারকা কেই নিশিকোরি। জোড়া করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর অবশেষে করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে তাঁর। একই বিমানে ছিলেন ২০১২ এবং ২০১৩ মহিলা সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা। গোটা ঘটনায় বিরক্ত প্রত্যেকে।

টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর ক্রেগ টেলর জানিয়েছেন, ‘আমরা ওই বিমানে থাকা প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি প্রতিনিয়ত। তাদের প্রয়োজন এবং চাহিদাগুলো আমরা নিশ্চিত করতে চাই। যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি রইল। ওদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি আমরা।’

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বিমানে ওঠার ঠিক আগে গত ১৪ জানুয়ারি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অ্যান্ডি মারে। স্বাভাবিকভাবেই টুর্নামেন্ট শুরুর সপ্তাহতিনেক আগে লড লেভার এরিনায় কোর্টে নামা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে প্রাক্তন বিশ্বের পয়লা নম্বরের। লন্ডনেই আপাতত হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে প্রাক্তন পয়লা নম্বরের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমরা আশা করছি উনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং পরের দিকে ব্রিটিশ টেনিস প্লেয়ারকে নিজেদের চার্টার্ড ফ্লাইটে করে অস্ট্রেলিয়ায় উড়িয়ে নিয়ে আসার কথাও জানিয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মরশুমের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।