স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হল বীরভূমের নলহাটি থেকে৷ এই ঘটনায় জড়িত তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে নলহাটি ও মুরারই থানার পুলিশ৷ তাদের থেকে পাওয়া গিয়েছে ২৭০০০ ডিটোনেটর ও ৬০০০ জিলেটিন স্টিক৷

দুষ্কৃতীরা বহুদিন ধরেই এই বিস্ফোরক পদার্থ পাচারচক্র চলছিল৷ নলহাটি ও মুরারই থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাদের ডেরায় অভিযান চালায়৷ সেখান থেকে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করে পুলিশ৷ তবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর বাজার মূল্য কত তা পুলিশ সূত্রে জানা যায়নি৷

আরও পড়ুন: ‘আমার স্বামী চায় আমি এরকম পোশাক পরি’ বিস্ফোরক জবাব অভিনেত্রীর

প্রসঙ্গত, এর আগেও মহম্মদবাজার এলাকার তালবাঁধ থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রচুর বিস্ফোরক৷ এক খাদান ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে জিলেটিন স্টিক ও প্রচুর পরিমাণে ডিটোনেটর উদ্ধার হয়েছিল৷ সেখানেও পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছিল৷

পুলিশ জানিয়েছিল, পাথর খাদান এলাকায় এই ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়া কোনও বড় ঘটনা নয়৷ কিন্তু মহম্মদবাজারের তালবাঁধ এলাকায় কি করে ও কেন এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন।

আরও পড়ুন: সপ্তম হয়ে কলকাতার মুখরক্ষা করল স্বার্থক

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনার দিন তালবাঁধের আল আমিন ঘোষের গোডাউনে হানা দিয়েছিল মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। পাথর ব্যবসায়ী আমিনের গোডাউন ভাড়া নিয়েছিলেন পরেশ ঘোষ। যিনি স্থানীয় ডামরা গ্রামের কাছে সেনবাঁধা গ্রামের বাসিন্দা।

ঘটনার দিন বেলা এগারোটা নাগাদ পরেশ ঘোষের হেফাজতে থাকা এই গুদামে পুলিশ হানা দিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, গুদাম থেকে ১৮ হাজার ডিটোনেটর, ৮ হাজার জিলেটিন স্টিক ও ১০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়৷

আরও পড়ুন: জোটের ফাটল বাড়িয়ে ফের মোদীর চিন্তা বাড়লেন নীতীশ

এদিন উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ফরেনসিক তদন্তের জন্য কলকাতা পাঠানো হয়েছিল৷ পাশাপাশি ওই এলাকায় আরও কোথাও বিস্ফোরক মজুত আছে কিনা তারও তল্লাশি শুরু করেছিল পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।