নয়াদিল্লি: গত তিন বছরে কোম্পানি আইনের সরকারি নথি থেকে মুছে গিয়েছে ৩.৮ লক্ষের বেশি কোম্পানি। সরকার এমনটাই জানাচ্ছে। রাজ্যসভায় এক লিখিত জবাবে কর্পোরেট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এমন বার্তাই দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন কোম্পানি আইনে শেল কোম্পানি বলে কোন সংজ্ঞা নেই।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, শেল কোম্পানি বলে আলাদা করে কোন সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণত সেই সব সংস্থাকেই ধরা হয় যারা সক্রিয়ভাবে ব্যবসা করছে না অথবা তাদের কোন সম্পত্তি নেই যা কোন কারনে ব্যবহার করা হয়েছে বেআইনি উদ্দেশ্যে যেমন কর ফাঁকি, টাকা পাচার, বেনামী সম্পত্তি রাখা ইত্যাদি কারণে।

সরকারের দ্বারা স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যারা এই শেল কোম্পানির বিষয়টি দেখছে, শেল কোম্পানি চিহ্নিতকরণে সুপারিশ করেছে বেশ কিছু ‘রেড ফ্ল্যাগ ইন্ডিকেটর’ । মন্ত্রীর অভিমত, সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে এইসব কোম্পানিগুলিকে চিহ্নিত করে মুছে ফেলার।

দুই বা তার বেশি বছর ধরে কোন আর্থিক বিবৃতি যারা ফাইল করছে না তার ভিত্তিতে সেইসব কোম্পানিগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমন ৩,৮২,৫৮১টি কোম্পানিকে মুছে ফেলা হয়েছে গত তিন বছরে বলে অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন।

অপর একটি লিখিত জবাবে মন্ত্রী জানিয়েছেন কোম্পানি আইনের ১৮২ সেকশন এর অধীনে, সরকারি কোম্পানি নয় এমন কোম্পানি এবং তিন বছরের কম সময়ের কোম্পানি তাদের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসদের অনুমতি নিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক দলকে অনুদান দিতে পারবে।

ওইসব কোম্পানিগুলিকে তাদের প্রফিট অ্যান্ড লস অ্যাকাউন্টে ওই অর্থবর্ষে যে পরিমাণ টাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে দেওয়া হয়েছে তা দেখাতে হবে তবে কোন রাজনৈতিক দল সে কথা জানানোর দরকার নেই। এর ফলে রাজনৈতিক দল গত কোনও তথ্য থাকবে না বলেই তিনি জানান।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।