সোয়েতা ভট্টাচার্য, কলকাতা: উৎসব কেটে গেলেও এখনও উৎসবের রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেনি শহরবাসী। পুজো কার্নিভ্যালের মাধ্যমে আরও একবার প্রতিমা দর্শনের সুযোগ পাবেন সাধারণ মানুষ।

চলছে কার্নিভ্যালের মহড়া

বিশ্বের দরবারে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবকে তুলে ধরতে গত দু’বছর ধরে রেড রোডে পুজো কার্নিভ্যালের আয়োজন করছে রাজ্য সরকার। এবছরের কার্নিভ্যালে গত দু’বছরের তুলনায় বেশি সংখ্যায় পুজো মন্ডপ অংশ নিচ্ছে। এবছর ৭৫ টি পুজো মন্ডপ। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা রয়েছে তুঙ্গে।

একদিকে যেখানে রেড রোডে কার্নিভ্যালের প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে, অন্যদিকে পুজো উদ্যোক্তাদেরও চূড়ান্ত ব্যস্ততার ছবি নজরে পড়েছে। সোমবার বিকেলে সল্টলেক স্টেডিয়ামে ইস্কনের সদস্যদের মহড়ায় ব্যস্ততা দেখা গেল।

অনুষ্ঠানে প্রায় দু’হাজার আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেশি সংখ্যায় বিদেশিরা এই অনুষ্ঠান উপভোগ করতে আসবে বলে জানা যাচ্ছে। কার্নিভ্যাল উপলক্ষে লালবাজার কর্তারা বিশেষ পুলিশি ব্যবস্থা করেছে। লালবাজার সূত্রে জানা যাচ্ছে কার্নিভ্যালের জন্য দু’হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। নজরদারি চালানো হবে ছ’টি ওয়াচটাওয়ার থেকে। এছাড়া গোটা এলাকা উড়ে ফেলা হবে সিসিটিভিতে। বিশেষ নজরদারির জন্য রেড রোডে ওড়ানো হবে ড্রোন।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রন করা হবে। হসপিটাল রোড, ক্যাসুরিনা রোড ও আংশিকভাবে মেয়ো রোড অনুষ্ঠানের জন্য বন্ধ রাখা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। যান চলাচলের জন্য জে এল নেহরু রোড খোলা থাকবে।

মঞ্চকে ঘিরে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। মঞ্চের চারি পাশে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। মুল মঞ্চে ৯০ জন পুলিশকর্তা উপস্থিত থাকবে। এসটিএফের কর্তারাও নজরদারির জন্য বিশেষ দায়িত্বে থাকবেন। সোমবার থেকেই রেড রোডে পুলিশের কুকুর দিয়ে তল্লাশি চালানো হবে। অনুষ্ঠান চলাকালীন রেড রোডে রেফ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও বম্ব স্কোয়াডের আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.