কলকাতা: করোনার কোপ এবার রেলেও। একের পর এক ট্রেনচালক, গার্ডরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। হাতেগোনা চালক নিয়েই দৌড়চ্ছে বাকি ট্রেন। এই পরিস্থিতিতে শিয়ালদহ শাখায় এবার ২৯টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। চালক, গার্ডরা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাধ্য হয়েই কোভিড পরিস্থিতিতে ট্রেন বাতিল করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেল। স্বাভাবিকভাবেই একসঙ্গে ২৯টি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের সমস্যা বহু গুণে বেড়ে গেল।

করোনার গ্রাসে দেশ। গোটা দেশেই মাত্রাছাড়া সংক্রমণ। রাজ্যে-রাজ্যে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলাতেও করোনা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিয়েছে। গত কয়েকদিনে শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখার বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেনের চালক, গার্ড করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। পরিস্থিতি এমন, যে ট্রেন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার লোকই পাচ্ছে না রেল। বাধ্য হয়েই এর আগে হাওড়া শাখাতেও একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। এবার কোপ শিয়ালদহ শাখাতেও। শিয়ালদহ রেল ডিভিশনে একসঙ্গ ২৯টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। চালক, গার্ডরা করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে রেলের তরফে জানানো হয়ছে।

এমনিতেই করোনাকালে অধিক মাত্রায় ট্রেন চালানোর পক্ষে সওয়াল করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রেনের সংখ্যা বেশি থাকলে ভিড় কম হবে। স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমবে। তবে এবার একের পর এক লোকাল ট্রেনের চালক, গার্ডরাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়েই লোকাল ট্রেন পরিষেবাতেও এবার কাটছাঁট আনতে হচ্ছে রেলকে। শিয়ালদহ শাখায় একসঙ্গে এবার ২৯টি লোকাল ট্রেন বাতিল।

গোটা দেশেই করোনার সেকেন্ড ওয়েভ তাণ্ডব চালাচ্ছে। সোমবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৭৩ হাজার মানুষ। এটাই এখনও পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ সংক্রমণ! এরাজ্যেও সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি। রবিবার সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪১৯ জন। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯২৭ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.