বেইরুত: লেবাননের রাজধানী বেইরুতে বিস্ফোরণের ঘটনায় বেড়েই চলেছে মৃত ও আহতের সংখ্যা। শেষ আপডেট খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন প্রায় ২৫০০ জন মানুষ ও মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২৭ জনের। সংবাদ সংস্থা এএনআই সে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার লেবাননের রাজধানী বেইরুতের বন্দরে এই বিস্ফোরণ হতে দেখা গিয়েছে। এই ঘটনায় বহু ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। তবে কী কারণে এই বিস্ফোরণ এবং কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বিস্ফোরণের জেরে গোটা শহর জুড়ে আতঙ্কের ছায়া। অনেক বাড়িতেই বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে গিয়েছে কাঁচের জানালা। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে বেশ কিছু ভিডিও ও ঘটনাস্থলের ছবি। আর তা থেকেই পরিস্কার যে ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে সেই বিস্ফোরণ। প্রবল শব্দে বিস্ফোরণে ধোঁয়ায় ঢেকে যেতে দেখা যাচ্ছে আকাশ।

এএফপি-র সাংবাদিক জানাচ্ছেন, ওই এলাকায় সব দোকান-পাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত অবস্থায় মানুষ কিংকর্তব্যবিমূড় হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল বহু মানুষ। বহু মানুষকে মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশির ভাগই রক্তাক্ত অবস্থায়।

পুরো এলাকা নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। কেবলমাত্র কিছু অ্যাম্বুলেন্স ও দমকলের গাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ১৫০ মাইল দূরে সাইপ্রাস দ্বীপ থেকেও শোনা গিয়েছে ওই বিস্ফোরণের শব্দ।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ঠিক যেন ভূমিকম্পের মত। ২০০৫ সালে রফিক হারিরিকে হত্যা করার সময় যে বিস্ফোরণ হয়েছিল, এটা তার থেকেও ভয়ঙ্কর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।