নয়াদিল্লি: আর মাত্র দুদিন। তারপরই ২৬ জানুয়ারি (Republic day 2021) ভারত উদযাপন করবে তার ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার তারিখ হিসেবে এই দিনটিকে স্মরণ করা হয়। এই দিনে ভারতীয় সামরিক বাহিনী এবং আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো হয়। সাধারণত, এই দিন প্যারেডের একটি অনুষ্ঠান থাকে। সেখানে এক লক্ষেরও বেশি মানুষ অংশ নেয়। তবে মহামারীজনিত কারণে এই বছরে প্রজাতন্ত্র দিবস খুব ছোট করেই উদযাপিত হবে।

২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি কে?

এই বছর কোনও প্রধান অতিথি থাকবেন না। প্রধান অতিথি ছাড়া এটি গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ নয়। এ বছর প্রথমদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে যুক্তরাজ্যে নতুন কোভিড স্ট্রেনের প্রাদুর্ভাবের Republic celebration amidst covid কারণে তিনি তাঁর সফর বাতিল করতে বাধ্য হন। এর আগে, ১৯৫২, ১৯৫৩ ও ১৯৬৬ সালে প্যারেডের জন্য ভারতের প্রধান অতিথি ছিল না।

পতাকা উত্তোলন এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ কতটা সময় রয়েছে?

পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানটি ২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

কতজন লোকের উপস্থিতি এ বছের জন্য অনুমোদিত?

এই বছর দর্শকের সংখ্যা ২৫ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল দেড় হাজার। একইভাবে, মিডিয়া প্রতিনিধি সংখ্যাও কমানে হয়েছে। গত বছর যেখানে ৩০০ জন ছিল, সেখানে এ বছর ২০০ জনের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে। ১৫ বছরের কম বয়সের বাচ্চারা এ বছর প্যারেডে উপস্থিতি থাকতে পারবেন না।

এ বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে কী দেখানো হবে? Republic day parade and venue details 2021

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে শুরু হয়ে ইন্ডিয়া গেটে শেষ হবে। রুটটি রাজপথ হয়ে বিজয় চক, অমর জওয়ান জ্যোতি, ইন্ডিয়া গেট প্রিন্সেস প্যালেস, তিলক মার্গ হয়ে ইন্ডিয়া গেট হয়ে হবে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) রাফালে যুদ্ধবিমান এ বছর প্রথমবারের মতো কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। প্যারেডে ভারতের অন্যতম প্রথম মহিলা যোদ্ধা ও ফাইটার জেট পাইলট ভাবনা কান্থ অংশ নেবেন। এছাড়া বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি দলও উপস্থিত থাকবে। উত্তরপ্রদেশের রাম মন্দিরের প্রতিলিপি এই কুচকাওয়াজে অন্তর্ভুক্ত থাকবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.