পাটনা: ফের ভয়াবহ বজ্রপাত। একদিনের ঝড়-বৃষ্টিতেই মৃত্যু হল ২৬ জনের। আবারও এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে বিহারে। বৃহস্পতিবারের বিহারের একাধিক জেলায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

জানা গিয়েছে, যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে বেশির ভাগই কৃষিকাজে যুক্ত। মাঠে কাজ করার সময়ই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু পাটনাতেই দুলহিন বাজারে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, সমস্তিপুরে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। ইস্ট চম্পারণে চারজনের, কাটিহারে তিনজনের, শেওহার ও মাধেপুরায় মোট চার জনের এবং বেটিয়া ও পূর্ণিয়ায় মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবারই বজ্রপাত নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করে মৌসমভবন। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাপক বজ্রপাতের সম্ভাবনা বলে আগেই জানানো হয়েছিল।’

এর আগে গত ২৫ জুন বিহারে বজ্রপাতে মৃত্যু হয় ৮৩ জনের।

বিগত কয়েকদিনে বারবার মাটির খুব কাছে চলে আসছে মেঘ। এমনকি এরাজ্যেও পড়ছে তার প্রকোপ। উত্তরবঙ্গে এই বজ্রপাতের পরিমান কম হলেও দেখা যাচ্ছে, বিগত কয়েকদিনে ব্যাপক বজ্রপাতের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে প্রথমে পশ্চিমের জেলায় ক্রমে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে

কিছুদিন আগেই আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানায় বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে উল্লম্ব মেঘ তৈরি হয়েছে যার জেরে মাটির কাছে চলে আসে মেঘ। অন্তত ৩০ শতাংশ বজ্রপাতের সম্ভাবনার সতর্কতা দেয় হাওয়া অফিস।

এর আগে ৬০ শতাংশ এমন বজ্রপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয় কলকাতায়। তাঁর আগের দিন সমগ্র পশ্চিমের জেলাগুলিতে অন্তত ৬টি জেলায় এমন বজ্রপাতের সম্ভাবনার কথা জানায় হাওয়া অফিস। এমন কেন হচ্ছে?

আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ‘কালবৈশাখীর সময় এমন বড় বড় মেঘ তৈরি হতে দেখা গেলেও বর্ষাকালে সচরাচর তা দেখা যায় না। এবারে তা হচ্ছে। মৌসুমি অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ থেকে ধীরে ধীরে দক্ষিণে আসছে। বঙ্গোপসাগর থেকে ঢুকছে জোরালো মৌসুমি বায়ু। সেই জলীয় বাষ্পপূর্ণ হাওয়া অক্ষরেখার প্রভাবে দ্রুত ঘনীভূত হয়ে এমন বজ্রমেঘ তৈরি করছে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ