নয়াদিল্লি: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও একধাপ। সোমবার থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে করেনাার দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ অভিযান। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রে দ্বিতীয় পর্বের এই টিকাকরণের শুরুর দিনেই কেন্দ্রের কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করেছেন ২৫ লক্ষ নাগরিক। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করেছেন ২৪ লক্ষ ৫০ হাজার সাধারণ নাগরিক। বাকি ৫০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীও দ্বিতীয় পর্বের টিকা নিতে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করেছেন।

ইতিমধ্যেই সোমবার কেন্দ্রের কো-উইন অ্যাপে টিকা নিতে নাম নথিভুক্ত করা ৬ লক্ষ ৪৪ হাজার নাগরিকের অ্যাপয়েনমেন্ট ফিক্সড করা হয়েছে। দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণের দ্বিতীয় পর্বে ষাটোর্ধ্ব ও ৪৫ বছর বয়সীদের উপরের যাদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাঁদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। সোমবারই করোনার টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সোমবার সকালে দিল্লির AIIMS এ গিয়ে করোনার টিকা নিয়েছেন নমো। পরে টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘AIIMS-এ আমি করোনা টিকার প্রথম ডোজটি নিয়েছি৷ করোনার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ে আমাদের চিকিৎসক, বিজ্ঞানীরা তাঁদের যে শক্তি দেখিয়েছেন তা উল্লেখযোগ্য। যারা এই পর্যারে যাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য বাছা হয়েছে তাঁদেরকে স্বাগত। আসুন ভারতকে করোনামুক্ত করি।’’ সোমবার পর্যন্ত মোট ১,৪৭,২৮,৫৬৯ জন করোনার টিকা নিয়েছেন।

গত ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণ অভিযানের প্রথম পর্ব শুরু হয়। প্রথম পর্বে দেশের ৩ কোটি করোনাযোদ্ধাকে টিকা দেওয়া শুরু হয়। দেশের চিকিৎসক, নার্স-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও নিরাপত্তাবাহিনীর সব সদস্যদের টিকাকরণের পর্ব শেষের মুখে। দেশে করোনার দুটি টিকার প্রয়োগ চলছে। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার কোভিশিল্ড ভারতে তৈরি করছে পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট।

অন্যদিকে, ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর-এর তৈরি করেছে কোভ্যাক্সিন। আপাতত এই দুটি দেশীয় টিকাই ভারতে প্রয়োগ চলছে। তবে শীঘ্রই দেশে তৈরি আরও ৪-৫টি টিকা প্রয়োগও শুরু হয়ে যাবে বলে আশাবাদী কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছে গিয়েছে ওই ভ্যাক্সিনগুলি। চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষায় সাফল্য এলেই ওই ভ্যাক্সিনগুলি প্রয়োগের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রের ছাড়পত্র মিলবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।