নয়াদিল্লি:  ক্রমশ ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে চিন-পাকিস্তান। সামরিকক্ষেত্রে পাকিস্তানের অবস্থা টলমল হলেও লালচিনের সাহায্য মাঝেমধ্যেই জোরে নিঃশ্বাস ফেলছে ইসলামাবাদ। অন্যদিকে, পাকবন্ধু লালচিনও ক্রমশ নিজেদের শক্তি বাড়িউয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভারতকেও নিজের সীমান্তে আরও সতর্ক থাকতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শত্রুপক্ষের হাত থেকে নিজভূমিকে বাঁচাতে কার্যত প্রত্যেকদিন নিজের শক্তি আরও বাড়িয়ে যাচ্ছে ভারত। গত কয়েকদিনে পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম এহেন তিনটি মিসাইলের পরীক্ষা করেছে সেনাবাহিনী। যদিও এতেও থেমে থাকতে রাজি নয় সরকার এবং সেনাবাহিনী। একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে আরও সাবমেরিন তৈরির উপর জোর দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিক্কর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে ভারতের নৌবাহিনীতে আরও ২৪টি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত হবে। এরমধ্যে পরমাণুচালিত সাবমেরিনও তৈরি করা হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে একাজ সমাপ্ত হবে বলে তিনি আশাবাদী। চিনকে রুখতে এই বিশাল পরিমাণ সাবমেরিনবহর তৈরি দরকার বলে মনে করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা। আর সেজন্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এহেন উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের হাতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি সাবমেরিন রয়েছে, এই পরিমাণ সাবমেরিন ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে চলে আসলে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী বাহিনী হয়ে উঠবে ভারতীয় নৌবাহিনী।