নয়াদিল্লি :২৫শে মে চালু হয়েছে বিমান পরিষেবা। তবে তাতে চিন্তা আরও বেড়েছে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে গত চারদিনে প্রায় ২৩জন যাত্রী আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। গন্তব্যে পৌঁছে বিমানবন্দরে নামার পরে পরীক্ষা করে তাঁদের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে খবর।

তাদের সঙ্গে আর কোন কোন যাত্রী ছিলেন খোঁজ চালানো হচ্ছে। সেই সব বিমান সংস্থার বিমানসেবিকাদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আক্রান্তদের সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রীর খোঁজ মিলেছে। তাঁদের স্ক্রিনিং হয়েছে, কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। দু মাস পরে বিমান পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, তা কতটা সঠিক, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকছে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র মেডিকাল এমার্জেন্সি ও সেনা বিমান চলাচলের অনুমতি ছিল।

এদিকে, লকডাউনের চতুর্থ দফা যখন শেষের পথে, তখনও দেশে একের পর এক সংক্রমণের খবর আসছে। কিন্তু লকডাউনে শিথিলতা আসছে ক্রমশ। একটু একটু করে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। সোমবার থেকে তাই বিমান পরিষেবা চালু করা হয়েছে। প্রথম দিনই ৩৯০০০ যাত্রী সফর করেছেন বিমানে।

প্রথম দিনে ইন্ডিগো বিমানে এক যাত্রীর শরীরে করোনা ধরা পড়ে। ২৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বিমানের ৯০ জন যাত্রীর করোনা পরীক্ষা হয়েছে, প্রত্যেকেরই রিপোর্ট নেগেটিভ হয়েছে। প্রত্যেককে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

ওই বিমানটিকে ১৪ দিন পরে ওড়ানো হবে। এয়ারক্রাফট ডিস-ইনফেক্ট করে তবেই ওড়ানো হবে। এয়ারলাইনসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে আক্রান্ত ওই যাত্রীর ফেস মাস্ক, গ্লাভস ও ফেস শিল্ড সবই ছিল। তাছাড়া ওই ব্যক্তির পাশে কেউ বসেননি। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা কমই রয়েছে।

তবে একের পর এক সংক্রমণের খবর মিলছে। বিভিন্ন বিমানসংস্থার যাত্রীদের মধ্যেই করোনা আক্রান্ত ধরা পড়ছে, যা রীতিমত চিন্তার বিষয়। বৃহস্পতিবার সকালে ইন্ডিগো বিমান সংস্থায়এক যাত্রীর করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। বেঙ্গালুরু থেকে মাদুরাই সফর করেছিলেন তিনি। ওই যাত্রী অ্যাসিম্পট্যোম্যাটিক ছিলেন বলে খবর।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প