স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের ২২৫টি সেতু সংস্কারের কাজ চটজলদি শুরু করা হবে। দফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠকের পর একথা জানালেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঠিক হয়েছে, পুজোর আগে অথবা পরেই সম্পূর্ণ হবে টেন্ডার প্রক্রিয়া।

পোস্তা উড়ালপুল ভেঙে পড়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন সেতুর অবস্থা খতিয়ে দেখতে সমীক্ষা চালায় সরকার। সেই সমীক্ষা দিচ্ছে বিপদের ইঙ্গিত।

রাজ্যের প্রতিটি সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট সম্প্রতি জমা পড়েছে সরকারের ঘরে। তাতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে ২২৫টি ব্রিজের হাল খুব একটা ভালো নয়। এরমধ্যে ২৭টি ‘বিপজ্জনক’ সেতু ভেঙে নতুন করে গড়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেজ্ঞরা। তারমধ্যে বেশ কয়েকটি সেতু নদীর উপর রয়েছে। আবার বেশ কয়েকটি উড়ালপুলের স্বাস্থ্য অত্যন্ত খারাপ বলেও ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ‘বিপজ্জনক’ ২৭টি ব্রিজের মধ্যে বীরভূম, মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি ব্রিজ রয়েছে। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গের কয়েকটি ব্রিজও রয়েছে তালিকায়। কোনও কোনও ব্রিজের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছর কিংবা তারও বেশি।কিন্তু, এখনই ব্রিজগুলি ভেঙে পুনর্নির্মাণ করা যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে জরাজীর্ণ সেতুগুলি মেরামতে টাকা অর্থ দফতর অনুমোদন করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই মতো টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি সেতুর সংস্কারে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে বলে খবর।

উল্লেখ্য, সল্টলেকে উইপ্রো ফ্লাইওভার, গড়িয়ার ঢালাই ব্রিজ, শিয়ালদহ ও ব্রেবোর্ন রোড ফ্লাইওভার, হাওড়ার বঙ্কিম সেতু, কালিকাপুর ব্রিজ, সোনারপুর ফ্লাইওভার, পার্ক সার্কাসের ৪ নম্বর ব্রিজ, চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারের অবস্থা ভালো নয় বলে মনে করছে রাইটস।

এছাড়া দামোদরের ওপর দিয়ে তারকেশ্বর ও আরামবাগের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম চাঁপাডাঙ্গা সেতুর বয়স ৫০ পেরিয়েছে। হুগলি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু কলকাতার সঙ্গে আরামবাগ ও বাঁকুড়ার যোগাযোগের রাস্তা। বর্ষায় ধুয়ে গেছে বালি-মাটি। সেতুর ওপরে রাস্তায় বড় বড় ফাটল। আটকে যাচ্ছে চাকা। যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে সেখানে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।