তিরুঅনন্তপুরম: কেরলে বিমান দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে যুক্ত থাকা ২২ জনের রিপোর্ট করোনা পজিটিভ। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন মালাপ্পুরামের এক মেডিকেল অফিসার।

দুর্ঘটনাগ্রস্থ বিমানটি কেন্দ্রের বন্দে ভারত মিশনের আওতায় দুবাই থেকে ১৮৪ জন আটকে পড়া ভারতীয়কে নিয়ে দেশে ফিরছিল। এরা প্রত্যেকেই করোনা মহামারির জেরে আটকে গিয়েছিল দুবাইতে। তবে এয়ারপোর্টে রানওয়ে ছোঁয়ার পরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ওই বিমান।

আরও পড়ুন – খুলছে মন্দিরের দরজা, ১৬ অগাস্ট থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র বৈষ্ণোদেবী যাত্রা

এক জেলা চিকিৎসা আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘দুর্ঘটনাগ্রস্থ বিমানের উদ্ধার অভিযান শেষ হলে এই আধিকারিক সহ যাত্রীদেরদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এখনও তাঁদের দিকে নজর রেখেছেন চিকিৎসকেরা।

উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার পর প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে অপারেশন চালানোর পর বিমানের সব যাত্রীকে বের করে আনতে সক্ষম হয় উদ্ধারকারী দল। দুর্ঘটনায় উভয় পাইলট সহ মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন প্রায় ১৫০ জন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়, এসময় তাঁদের কোভিড-১৯ ও পরীক্ষা করা হয়েছিল।

ওই বিমানের মধ্যে এক যাত্রী করোনা পজিটিভ ছিলেন। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়, বেশ কয়েকজন যাত্রীর দেহে করোনার ভাইরাস মেলে। শুক্রবার উদ্ধারকারী দলেরও ২২ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে কেরলের কোঝিকোড়ের মত দুর্ঘটনা দেখেনি দেশ। অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে খাদে পড়ে দু’টুকরো হয়ে যায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমানটি ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ৩৫ ফুট উঁচু থেকে পড়ে যায় বিমানটি। আর তার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।