নয়াদিল্লি : দিল্লির রাজপথে এই দৃশ্য আগে সেভাবে কখনও চোখে পড়েনি। যেভাবে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে উন্মত্ততা চলল, তা বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছে দিল্লির মোদী সরকারকে। এখনও পর্যন্ত গোটা ঘটনায় ২২টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে খবর। জাতীয় সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের একাধিক অস্ত্র লুঠ করার মতো ঘটনার অভিযোগ উঠেছে।

দিল্লির ছটি জেলা মিলিয়ে এই এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক বিক্ষোভ যেভাবে উত্তাল হয়ে ওঠে, তাতে ১৫৩ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, দিল্লি জুড়ে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যাতে আর সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার রাতের দিকে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বৈঠকেই অতিরিক্ত আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ অমিত শাহকে এদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়৷

এদিনের বৈঠকে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন অমিত শাহ। এই বিক্ষোভের সঙ্গে কারা কারা প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে, তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশকে। দিল্লির স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ঠিক কত পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে, তা নির্দিষ্ট ভাবে জানানো হয়নি। তবে দিল্লিতে বর্তমানে ৪৫০০ জন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন রয়েছেন। আরও ১৫০০-২০০০ অর্থাৎ ১৫ থেকে ২০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে।

দিল্লি পুলিশের ঠিক করা রুট দিয়ে ট্রাকটর মার্চ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেসব উড়ে যায় বিক্ষোভের মুখে। পুলিশ লাঠি চার্জ করতেই আরও গরম হয় পরিস্থিতি। দিল্লি পুলিশ দিশেহারা হয়ে পড়ে। লক্ষাধিক কৃষকের সামনে তাদের ব্যারিকেড ভাঙতে শুরু করে। সশস্ত্র কৃষকদের একাংশ হামলা চালান বাসে, পুলিশের উপরে। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে দিল্লি ঘিরে ২ লক্ষ ট্রাকটর কৃষি আইন বিরোধী মিছিলে অংশ নেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।