তিমিরকান্তি পতি (বাঁকুড়া); এনআরএস-কাণ্ডের জের। গনইস্তফা জারি ডাক্তারদের। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান সহ ২২ জন চিকিৎসক ইস্তফা দিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় তারা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। যদিও এভাবে গনইস্তফা গ্রাহ্য হবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কারণ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এভাবে গনইস্তফা গ্রাহ্য করার কোনও নিয়ম নীতি নেই। এমনকি স্বাস্থ্যদফতরের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ইস্তফা দেওয়া হলে এক এক করে দিতে হবে। গণহারে ইস্তফা দেওয়া গাহ্য হবে না।

কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনা সারা রাজ্যের সাথে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও জুনিয়র চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। হাসপাতাল কৃতপক্ষের তরফে সিনিয়র চিকিৎসকদের ছুটি বাতিল করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা হলেও তাতে সাফল্য আসেনি। এদিন এক সঙ্গে ২২ জন চিকিৎসক ইস্তফা দেওয়ায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নতুন করে আরও বড় জটিলতা তৈরি হল বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিন সন্ধ্যায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম প্রধান এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ২২ জন চিকিৎসক ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। আরও অনেকে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন জুনিয়র চিকিৎসক ছাড়া আমরা চালাতে পারছি না। ইস্তফাপত্র যারা জমা দিয়েছেন তাদের মধ্যে পাঁচ-ছ’জন বিভাগীয় প্রধান রয়েছেন। এই ঘটনার পর কি হাসপাতালের পরিচালাতে সমস্যায় পড়তে হবে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি। তবে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের মাঝেও জরুরী পরিষেবা চালু রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।