কালনা: জোড়া তৃণমূল কর্মী খুনের মামলায় সিপিএমের ২২ জনকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করল কালনা আদালত। প্রমাণ অভাবে বুধবার অভিযুক্তদের খালাস ঘোষণা করেছেন কানলা ফাস্ট ট্র‌্যাক কোর্টের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।

অভিযুক্তদের আইনজীবী বিষ্ণুপ্রসাদ শীল ও সুতপা মল্লিক বলেন, সাক্ষীদের বয়ানে বিস্তর অসঙ্গতি ছিল। সাক্ষী ও পুলিসদের বয়ান অনুযায়ী ঘটনাস্থল নিশ্চিত হয়নি। গুলিতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এফআইআরে উল্লেখ রয়েছে। অথচ মৃতদের সুরতহাল রিপোর্টে গুলি শরীর ভেদ করে বাইরে বের হয়নি বলে জানানো হয়। ময়না তদন্তের রিপোর্টে মৃতদের শরীর থেকে গুলি মেলেনি। এছাড়াও সাক্ষীদের বয়ানেও অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। সে কারণে প্রমাণাভাবে বিচারক ২২ জনকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৪ সালের ১৯ মে এই খুনের ঘটনাটি ঘটে। লোকসভা নির্বাচনে পূর্বস্থলী থানার গোকর্ণ গ্রামের বুথে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী লিড পায়। সেজন্য ঘটনার দিন বিকাল ৪টে নাগাদ গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস বিজয় মিছিল বের করে। অভিযোগ বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ জাহিরুল মণ্ডলের বাড়ির সামনে মিছিলটি পৌঁছালে সিপিএমের ৪০-৫০ জন হামলা চালায়। মিছিলের উপর গুলি চলে। তাতে বেশ কয়েকজন জখম হন। গুলির আঘাতে জাহিদুল শেখ ও ভূতো শেখ ঘটনাস্থলেই মারা যান। মারা যাওয়ার পরও ভূতোকে রামদা দিয়ে কোপানো হয় বলেও দাবি ওঠে। মিছিলে বোমাও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। জখমদের উদ্ধার করে কালনা হাসপাতাল ও শ্রীরামপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার দিনই সারাফত আলি শেখ পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে বেআইনি জমায়েত, সশস্ত্র হামলা, খুন, খুনের চেষ্টা, মারাত্মকভাবে জখম করা এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ