file image

কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। রাজ্যের ২২ জেলায় ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নোবেল করোনাভাইরাস মোকাবিলায় একটি করে হাসপাতাল তৈরি হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যে ক্রমশ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করছে করোনা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সত্যিই যদি হু হু করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তবে শুধুমাত্র কলকাতার গুটিকয়েক হাসপাতাল কিভাবে পরিষেবা দেবে, এটা ভেবেই এবার জেলায় জেলায় কোন হাসপাতাল তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

ইতিমধ্যেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যভবনে এবিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। সেখানেই জেলার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলিকে করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করতে কী প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। সিএমওএইচদের কাছে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৪০ টি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজ নেওয়া হয়। করোনা আক্রান্তদের পরিষেবা দিতে বা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সেখানে রয়েছে কি না, তা জিজ্ঞস করা হয়।

করোনা চিকিৎসার উপযোগী করে তুলতে হাসপাতালগুলিতে আর কী কী পরিকাঠামো প্রয়োজন, তাও জিজ্ঞেস করা হয়। অবিলম্বেই একটি তালিকা পেশের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যকর্তারা। সেই তালিকার ভিত্তিতেই শুরু হবে কাজ।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী বলেন, “সব জেলা থেকে তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে. কোন হাসপাতালে তাঁরা করতে চান তাও জানাতে বলা হয়েছে.।করোনা মোকাবিলায় ২২ জেলায় ডেডিকেটেড হাসপাতাল, সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। রাজ্যের ২২ জেলায় ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নোবেল করোনাভাইরাস মোকাবিলায় একটি করে হাসপাতাল তৈরি হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যে ক্রমশ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করছে করোনা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সত্যিই যদি হু হু করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তবে শুধুমাত্র কলকাতার গুটিকয়েক হাসপাতাল কিভাবে পরিষেবা দেবে, এটা ভেবেই এবার জেলায় জেলায় কোন হাসপাতাল তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

ইতিমধ্যেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যভবনে এবিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। সেখানেই জেলার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলিকে করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করতে কী প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। সিএমওএইচদের কাছে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৪০ টি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজ নেওয়া হয়। করোনা আক্রান্তদের পরিষেবা দিতে বা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সেখানে রয়েছে কি না, তা জিজ্ঞস করা হয়।

করোনা চিকিৎসার উপযোগী করে তুলতে হাসপাতালগুলিতে আর কী কী পরিকাঠামো প্রয়োজন, তাও জিজ্ঞেস করা হয়। অবিলম্বেই একটি তালিকা পেশের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যকর্তারা। সেই তালিকার ভিত্তিতেই শুরু হবে কাজ।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী বলেন, “সব জেলা থেকে তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে. কোন হাসপাতালে তাঁরা করতে চান তাও জানাতে বলা হয়েছে.।