নয়াদিল্লি: করোনা পিছু ছাড়ছে না দেশের রাজধানীর। শুধু তাই নয় ভয়াবহতা শুধুই বাড়ছে, খারাপ হচ্ছে পরিস্থিতি। সংক্রমণ বাড়তে বাড়তে একেবারে তা ১ লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের সূত্রে খবর, এখনও অবধি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত ১,০৭,০৫১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩,২৫৮ জন।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় ৪৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। জুনের ২৩ তারিখ একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখেছে দিল্লি। সেদিন একদিনে ৩,৯৪৭ সংক্রমণ হয়েছে। এক লাখ সংক্রমণের মধ্যে ৮২,২২৬ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে মোট সক্রিয় ঘটনা ২১,৫৬৭।

এদিকে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণে নজর দিয়ে রাজধানী দিল্লিতে গোষ্ঠী সংক্রমণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মনে করা হচ্ছে, ইতিমধ্যেই রাজধানী দিল্লিতে নভেল করোনা ভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে।

অন্যদিকে, দিল্লিতে খুব দ্রুত হারে করোনা পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে আইসোলেশন করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। যাতে তা দ্রুত ছড়াতে না পারে।

এর পাশাপাশি করোনা রোগীদের কাউন্সেলিং করে চলেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। এছাড়া মজুত রাখা হয়েছে অক্সিমিটার এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার জন্য একটি ওয়ার রুম খুলে জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যেকদিন মানুষকে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি প্লাজমা থেরাপির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে অত্যন্ত উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

এর পাশাপাশি যখনই প্রয়োজন তখনই মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে সরকারের বক্তব্য পৌঁছে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এর পাশাপাশি কিন্তু সরকার মেডিকেল স্টাফ, হোটেল স্টাফ, বিভিন্ন এনজিও, ভেন্টিলেটর, মাস্ক, টেস্টিং কিট সরবরাহকারী সংস্থার সঙ্গে এক অটুট যোগাযোগ স্থাপন করে চলেছে। যা দিল্লিতে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইকে অনেক শক্তিশালী করেছে।

দেশে বিদ্যুৎ গতিতে বাড়ছে নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ লক্ষ ৬৭ হাজার ২৯৬। দেশে করোনায় মৃত বেড়ে ২১ হাজার ১২৯। দেশের একাধিক শহরে করোনার মাত্রাছাড়া সংক্রমণে বাড়ছে উদ্বেগ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ