নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক আদালত থেকে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে ধাক্কা খেয়েও চোখ খোলেনি পাকিস্তানের৷ ভারত সীমান্তে তাদের হামলা অব্যাহত৷ চলতি বছরে দু’হাজারেরও বেশি বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। নিশানা করেছে সাধারণ মানুষকে। অথচ ভারতের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের কালি ছেটাচ্ছে পাকিস্তান। প্রায় একুশ জন সাধারণের মৃত্যু হয়েছে, এমনটাই জানাচ্ছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। পাশাপাশি পাকিস্তানের একাধিক অনুপ্রবেশ ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কথাও উল্লেখ করা হয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে।

মুখপাত্র বলেন, “এবছর ওরা ২,০৫০ বারেরও বেশিবার অকারণে যুব্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, যাতে ২১ জন ভারতীয় নাগরিকদের মৃত্যু হয়েছে। আমরা বারবার পাকিস্তানকে বলেছি ২০০৩ যুদ্ধবিরতি সমঝোতা মেনে তাদের সেনাদের নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সীমান্তরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে।”

যে দেশ নিজেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, সে দেশ এত মিথ্যাচারণ করে কী করে, প্রশ্ন তুলেছে নয়াদিল্লি। এক সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভারতের তরফে বারবার পাকিস্তানকে সংযত হওয়ার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কথা কানে তুলছে না ইসলামাবাদ। তবে ভারত এখনও সংযত আছে।

পাক মন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি দাবি করেন কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। ভারত পাল্টা জানায়, পাকিস্তানের কোনও অধিকার এনিয়ে কথা বলার। তাদের অভিযোগও মিথ্যে। এই মঞ্চে রাজনীতি করার চেষ্টাতেই তাদের এমন দাবি বলে জানায় ভারত। পাশাপাশি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তান মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে দাবি জানিয়ে ভারত বলে, সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার নিয়ে কথা বললেও নিজেরাই সেটা নিয়ে চিন্তিত নয় পাকিস্তান।