ঢাকা: মধ্য বেলায় চাঞ্চল্য়কর গুলশন হামলার রায়দান। ২০১৬ সালের এই জঙ্গি নাশকতায় ইতালির, জাপানি, বাংলাদেশি, ভারতীয় মিলিয়ে ২৪ জনের মৃত্যু হয়। এই নিহতদের তালিকায় ৯ জন ইতালির, ৭ জন জাপানি, ৭ জন বাংলাদেশি, ১ জন ভারতীয় নাগরিকের নাম রয়েছে।তিন বছর পেরিয়ে সেই ভয়াবহ গুলশন হোলি আর্টিজান কাফে হামলার রায়দান হবে বিশেষ আদালতে। ফলে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়ছে আদালত চত্বর ও ঢাকা।

সেই সঙ্গে নাশকতা রুখতে বিশেষ নিরাপত্তা বাংলাদেশের সর্বত্র। নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মীর রেজাউল আলম ও কৃষ্ণ পদ রায়। পরে সাংবাদিকদের কৃষ্ণবাবু জানান, গুলশন হামলার রায় ঘিরে নিরাপত্তার শক্তিশালী বলয় তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় শুনতে আদালতে যাবেন বিদেশি পর্যবেক্ষকরা। ২০১৬ সালের ১-২ জুলাই নাশকতায় যেসব দেশের নাগরিক নিহত হন, সেই দেশের ঢাকার কূটনীতিকরাও আদালতে থাকবেন।

বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানাচ্ছে, গুলশন হামলার পর থেকে একাধিক জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দেওয়া হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে রমজানের উপবাসের পর চলছিল ইফতার। বিখ্যাত হোলি আর্টিজান কাফে-তে অনেকে এসেছিলেন। সেই সময় হামলা চালিয়ে খুন করে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা।

পরে অপারেশন থান্ডারবোল্ড কমান্ডো অভিযানে হামলাকারী ৫ জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়। সেই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে বাংলাদেশ পুলিশ। সেই মামলার রায়দান। হামলায় জড়িত জঙ্গিদের একাধিক চাঁইকে খতম করা হয়েছে। কয়েকজন পলাতক। ৮ জঙ্গি ধৃত।