নয়াদিল্লি: গুজরাত দাঙ্গায় গণধর্ষণের নৃশংসতার শিকার হয়েছিলেন বিলকিস বানো। মঙ্গলবার তাঁকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি তাঁকে সরকারি চাকরি এবং বাসস্থানের ব্যবস্থাও করে দিতে হবে গুজরাত সরকারকে।

আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে তাঁর হাতে টাকা তুলে দিতে হবে। আদালত জানতে পেরেছে যে ২০০২ সাল থেকে বিলকিসের কোনও বাসস্থান নেই।

রাজ্যের বেশ কিছু পুলিশ অফিসার তদন্ত বিপথে চালিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে এর আগে বম্বে হাইকোর্টে অভিযোগ করেছিলেন বিলকিস বানো। অবিলম্বে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে গুজরাত সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সবিস্তার রিপোর্টও চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

গোধরা-কাণ্ডের পর যে দাঙ্গা হয়েছিল, সেখানে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিলকিস বানো। আমেদাবাদের কাছে রানধিকপুর গ্রামে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। গর্ভবতী অবস্থায় তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। তাঁর পরিবারের ১৪ জন সদস্যকে মেরে ফেলা হয়, তাঁর তিন বছরের মেয়ে সালেহারও মৃত্যু হয় ওই দাঙ্গায়। শুধু বিলকিসকেই একাধিকবার গণধর্ষণের পরও ফেলে রেখে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা।

এখন তাঁর ৪০ বছর বয়স। পড়াশোনাও তেমন জানেন না। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দয়ায় বেঁচে রয়েছেন।

২০০৮ সালে সেখানে ১১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। কিন্তু ওই পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। গেদিন গুজরাত সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয় যাতে, অবসরপ্রাপ্ত চার অফিসারের পেনশন আটকে দেওয়া হয়।