নয়াদিল্লি: একে একে বিধায়কের সংখ্যা বাড়ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে মোট ২০ জন কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগ করলেন মধ্যপ্রদেশে।

এদিন সকালে জ্যোতিরাদিত্যা সিন্ধিয়ার পদত্যাগ কররা খবর দিয়ে শুরু। এরপর একে এক একাধিক বিধায়ক পদত্যাগ করেন। দুপুর ২ টো পর্যন্ত মপোট ২০ জন বিধায়কের পদত্যাগ করার খবর পাওয়া গিয়েছে। এরা সবাই মঙ্গলবারই বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শিবরাজ সিং চৌহানের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বিধায়ক বিসাহুলাল সিং।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বিসাহুলাল সিং বলেন, ‘আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। আগামিদিনে আরও অনেক কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগ করবেন। তাঁরা কমল নাথ সরকারের কাজকর্মে হতাশ।’

নাটক শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। আচমকা বেপাত্তা হয়ে যান সিন্ধিয়া সহ বেশ কয়েকজন বিধায়ক। তারপরই মধ্যপ্রদেশের রাজনীতি নতুন মোড় নেয়। কমলনাথ সরকারের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। মঙ্গলবারই নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেস ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন সিন্ধিয়া পরিবারের এই তরুণ নেতা।

এর কিছুক্ষণ পরই কংগ্রেসের তরফ থেকে জানানো হয়, দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে জোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে। বর্ষীয়ান নেতা কেসি বেনুগোপাল একথা জানিয়েছেন। দল বিরোধী কাজের জন্য তাঁকে বহিস্কার করা হয়েছে বলে দাবি কংগ্রেসের।

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে যান জ্যোতিরাদিত্য। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দফায় দফায় বৈঠক হয় তাঁদের মধ্যে। জানা যাচ্ছে, বৈঠকে মধ্যপ্রদেশ থেকে বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী সিন্ধিয়াকে করা হতে পারে বলে ঠিক করা হয়েছে।

যদিও সূত্রের খবর, মোদী-শাহের কাছে কেন্দ্রের কোনও মন্ত্রক চেয়েছেন সিন্ধিয়া। আগামিদিনে সেটাও হয়তো উপহার হিসাবে তাঁকে দেওয়া হতে পারে। মোদী-শাহের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হওয়ার পরেই সোনিয়া গান্ধীকে ইস্তফা পত্র পাঠিয়ে দেন রাহুল-প্রিয়ঙ্কার ঘনিষ্ঠ মাধব রাও-পুত্র। যদিও এরপরেই দল বিরোধী কাজের জন্যে সিন্ধিয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে।