মুম্বই: আইপিএলের ম্যাচ শুরু হতে আর মাত্র তিনদিন বাকি৷ কিন্তু মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেই চলেছে৷ মঙ্গলবার আরও দু’জন মাঠকর্মী ও একজন পালামবারের করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷

এদিন মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন সুত্রে জানা গিয়েছে, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আরও তিন জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ এর মধ্যে দু’জন মাঠকর্মী৷ ২০২১ আইপিএলে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচ ১০ এপ্রিল৷ প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি তিনবারের চ্যাম্পিয়ন মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস ও গতবারের রানার্স দিল্লি ক্যাপিটালস৷ এই স্টেডিয়ামে এবারের আইপিএলে ১০টি ম্যাচ হওয়ার কথা৷

গত শনিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ১০ মাঠকর্মীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসে৷ তারপর এদিন ফের আরও তিন জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে বিসিসিআই৷ গত সপ্তাহে ১০ জন মাঠকর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরও ওয়াংখেড়েতে আইপিএলের ম্যাচ আয়োজনে কোনও বাধা নেই বলে জানানো হয়েছিল মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তরফে৷

ওয়াংখেড়ের মাঠকর্মীদের জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানায় এমসিএ। তারা জানিয়েছে, মাঠকর্মীদের অধিকাংশই ট্রেনে নিত্যদিন যাওয়া-আসা করে থাকেন। তাই আইপিএলের ম্যাচগুলি চলাকালীন স্টেডিয়ামেই মাঠকর্মীদের থাকার বন্দোবস্ত করতে চলেছে এমসিএ। এক আধিকারিকের কথায়, ‘তড়িঘড়ি মাঠকর্মীদের জন্য আমরা মাঠেই থাকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চলেছি। স্টেডিয়ামেই প্রচুর ঘর রয়েছে যেখানে তারা থাকতে পারবেন।’

একইসঙ্গে এমসিএ’র তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে, ‘ওয়াংখেড়েতে আইপিএলের ম্যাচগুলি আয়োজন নিয়ে কোনওরকম সংশয় নেই। মাঠ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সময়মতো প্রস্তুত হয়ে যাবে।’ তবে পিচ প্রস্তুত করতে স্টেডিয়ামের পিচ কিউরেটরকে সহযোগীতার জন্য অতরিক্ত কোনও মাঠকর্মী প্রয়োজন কি না সে বিষয়টা আলোচনা করে দেখবে এমসিএ। প্রয়োজনে বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স এবং কান্দিভিলিতে ইন-হাউস যে সকল মাঠকর্মীরা রয়েছেন, প্রয়োজনে তাদেরও ডাকা হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে মুম্বই ক্রিকেট আসোসিয়েশন।

সোমবারই মহারষ্ট্রের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ সত্ত্বেও ওয়াংখেড়েতে আইপিএলের ম্যাচ হবে নির্ধারিত সূচি মেনেই। তবে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মানতে হবে কঠোরভাবে। সংবাদসংস্থা এএনআই’কে রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘বিধিনিষেধ মেনেই ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। স্টেডিয়ামে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার থাকছে না। আইপিএলের সঙ্গে জড়িতে প্রত্যেককে একটি নির্দিষ্টস্থানে নিভৃতবাস কাটাতে হবে। জটলা এড়িয়ে চলতে হবে। এই সকল শর্তসাপেক্ষেই আমরা ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.