নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার সন্ধেয় দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। রাইসিনা হিলসে এদিন একের পর এ গাড়ি ঢুকতে দেখা যায়। নেতা-মন্ত্রীরা সিকিউরিটি নিয়ে নামেন রাষ্ট্রপতি ভবনে। কিন্তু এদিন দুই মন্ত্রী অনুষ্ঠানে পৌঁছলেন সাইকেলে চেপে।

সাইকেলে চেপে শপথ নিতে গেলেন বিজেপির মনসুখ লাল মাণ্ডভ্য ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

মাণ্ডভ্যর সাইকেল ভ্রমণ অবশ্য নতুন নয়। গত পাঁচ বছর ধরেই তিনি পার্লামেন্টে আসেন সাইকেলে চেপে। তবে তাঁর কাছে সাইকেলে চেপে আসাট ফ্যাশন নয় বরং ‘প্যাসন।’

সৌরাষ্ট্রের এক কৃষক পরিবারে জন্ম মাণ্ডভ্যর। মাত্র ২৮ বচর বয়সে তিনি বিধায়ক হন ২০০২ সালে। গুজরাতের বিধায়ক ছিলেন তিনি। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ মাণ্ডভ্য এদিন দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। প্রথম মোদী সরকারে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

অর্জুন রাম মেঘওয়ালও মন্ত্রী হলেন দ্বিতীয়বার। রাজস্থানের বিকানেরের বাসিন্দা মেঘওয়াল ছিলেন অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। ২০১৭-তে মন্ত্রিসভায় রদবদলের সময় মন্ত্রিত্ব পান তিনি। ২০০৯ থেকে সাংসদ তিনি। এবারও নিজের কেন্দ্রে তাঁর তুতো ভাই কংগ্রেসের প্রার্থীকে হারিয়েছেন মেঘওয়াল।

তিনিও এদিন সাইকেলে চেপেই পৌঁছন রাষ্ট্রপতি ভবনে। শখেই সাইকেল চালান এই মন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।