শ্রীনগর : বড়সড় সাফল্য ভারতীয় সেনা ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশের। বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালিয়ে জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামার অবন্তীপোরা থেকে উদ্ধার করা হল লস্কর ই তইবার ২টি গোপন ঘাঁটি। ওই ঘাঁটি দুটিকে ধ্ংস্ব করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

জম্মু কাশ্মীর পুলিশের একটি বিবৃতি জানাচ্ছে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অবন্তীপোরায় চিরুণি তল্লাশি চালায় সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। বদ্রু বরসো এলাকার পার্বত্য অঞ্চলে এই ঘাঁটি দুটির সন্ধান পায় যৌথ বাহিনী। বাহিনীতে যোগ দেয় সেনার ৫০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফের ১৩০ ব্যাটেলিয়ন ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশ।

সারা রাত ধরে তল্লাশি চালিয়ে ১৩ই অগাষ্ট এই ঘাঁটি দুটি উদ্ধার করা হয়। জম্মু কাশ্মীর পুলিশ জানাচ্ছে দুটি ঘাঁটিই ধ্বংস্ব করা হয়েছে। লস্করের ওই ঘাঁটি দুটিতে ১৯১৮ একে রাইফেলের একাধিক রাউন্ড, দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড, ইউবিজিএল থ্রোয়ার, ৪টি ইউজিবিএল গ্রেনেড পাওয়া গিয়েছে।

এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, ৫টি জিলেটিন স্টিক, ক্রুড পাইপ বোমা, কোড শিট, ৫৪০০ টাকা, খাবার, বাসন পত্র, স্টোভ, গ্যাস সিলিন্ডার। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন তল্লাশি শুরু হতেই ওই জঙ্গিরা এখান থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কিছু নিয়ে যেতে পারেনি।

এক্সপ্লোসিভ সেকশন অ্যাক্টের ৪ নম্বর ধারা, ইউএলএপির ১৮, ২০, ২৩ নম্বর ধারা ও সশস্ত্র আইনের ৭/২৫ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে অবন্তীপোরা পুলিশ স্টেশনে।

১২ই অগাষ্ট কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয় লস্কর ই তইবার এক অতি সক্রিয় জঙ্গিকে। বান্দিপোরার হাজিন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফাঁদ পেতে ওই জঙ্গিকে ধরা হয়।

এজন্য যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। এই বাহিনীতে ছিল এসওজি বান্দিপোরা, এসওজি হান্দওয়াড়া, ১৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, ৩২ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, ৯২ সিআরপিএফ। এদের যৌথ উদ্যোগে ওই জঙ্গিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় বলে খবর। ওই জঙ্গির পরিচয়ও প্রকাশ করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর ওই জঙ্গির নাম আকিব আহমেদ। সে উপত্যকায় বিভিন্ন জঙ্গি মডিউলের কাছে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করত। তার কাছ থেকেও প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। তার বিরুদ্ধো ক্রালগান্দ পুলিশ স্টেশনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।