বেজিং: চিনে ফের বিপদ ঘনাচ্ছে। একবার করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষেরা আবার আক্রান্ত হচ্ছে করোনায়। চিনে এমন দুজন রোগীর হদিশ মিলেছে যারা কিনা কয়েকমাস আগে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পরেও, ফের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরফলে করোনাভাইরাসের রোগীদের দেহে এই ভাইরাস পুনরায় দেখা দেওয়ার ক্ষমতা ও সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

চিনার হুবেই প্রদেশে রবিবার করোনা আক্রান্ত হন এক মহিলা, এরপরেই জানা যায় এর প্রায় ৬ মাসে আগে আরও একবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও সোমবার অপর এক ব্যক্তির দেহে উপসর্গহীন করোনার ভাইরাস মিলেছে। তিনিও এর আগে এপ্রিলে করোনার কবলে পড়েছিলেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই দুজনের কাছাকাছি আসা কারোরই কোভিড-১৯ ধরা পড়েনি। তবুও তাঁদেরকে আপাতত কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন কিছু রোগী লম্বা সময়ের জন্য এই ধরনের লক্ষণে ভোগেন? আদৌ কি সেটা সম্ভব? এবং কোনও প্রতিরোধ ক্ষমতা কি আবারও এই রোগকে ফিরে আসা থেকে ঠেকাতে পারে?

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে সংক্রামিত ব্যক্তি ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে, কিন্তু কয়েকমাস পর থেকেই তা হ্রাস পেতে পারে, সম্ভবত সেই কারণেই কোনও ব্যক্তি দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত এমন সংখ্যা খুবই কম দেখা গেছে, যেখানে একবার আক্রান্ত হওয়া রোগী পুনরায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।