ওয়াশিংটন: ভয় ধরানোর জন্য একটি টিরানোসরাস রেক্সই যথেষ্ট। আর যদি ২.৫ বিলিয়ন এই প্রাণী থাকে? কল্পনাতেই তো হাত পা পেটের ভিতর ঢুকে যাওয়ার জোগাড়। কিন্তু এক সময় সত্যিই এতগুলোই হিংস্র টিরানোসরাস রেক্স রাজত্ব করত এই পৃথিবীতে। নতুন এক গবেষণায় এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বার্কলের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কলে একটি দল এই ডাইনোসর নিয়ে গবেষণা করছিলেন। সম্প্রতি তাঁরা টি রেক্সের শরীরের আকার, সেক্সুয়াল ম্যাচিওরিটি এবং তাদের চাহিদার উপর ভিত্তি করে গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ করেন। তাঁরা এও জানান ঠিক কতগুলি টি রেক্স পৃথিবী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। তাঁদের গবেষণা অনুযায়ী ১ লক্ষ ২৭ হাজার প্রজন্মেরও বেশি সময় হিংস্র টিরানোসরার রেক্স পৃথিবীর বুকে টিকে ছিল। বৃহস্পতিবার একটি বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। এমন সংখ্যা প্রকাশ্যে আসা এই প্রথম। টি রেক্সের আকার নিয়েও নিজেদের অনুসন্ধান জানিয়েছেন তাঁরা। তবে টি রেক্সের আকার নিয়ে স্পষ্ট কোনও ধারণা পাওয়া যায়নি। যদিও তার একটি মার্জিন তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরের প্যালিয়ন্টোলজির পরিচালক ও প্রধান লেখল চার্লস মার্শালের মতে, অনেক চোয়াল, অনেক দাঁত ও অনেক নখ পাওয়া গিয়েছে।

এই প্রজাতি উত্তর আমেরিকায় প্রায় ১.২ মিলিয়ন থেকে ৩.৬ মিলিয়ন বছর ধরে ঘুরে বেড়িয়েছে। এর মানে হল টি রেক্সের সংখ্যা ও ঘনত্ব কোনও এক সময় বেশ ছোট ছিল। ম্যাকলেস্টার কলেজের তাপেওবায়োলজিস্ট ক্রিস্টি কারি রজার্স বলেছেন, তিনি প্রথম পড়েন যে ২.৫ মিলিয়ন টি রেক্স পৃথিবীতে ছিল তখন অনেকের মতো তিনিও বিশ্বাস করতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন তাঁর চোখে ধোঁকা লেগেছিল। মার্শাল বলেছিলেন এটি বিজ্ঞানীদের টি রেক্সের জীবাশ্ম সংরক্ষণের হারটি নির্ধারণে সহায়তা করবে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১০০টির মতো টি রেক্সের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে 32 টির অবস্থা যথেষ্ট ভালো। সেগুলি প্রাপ্তবয়স্ক। তিনি আরও বলেন, যদি ২.৫ বিলিয়নের পরিবর্তে ২.৫ মিলিয়ন টি রেক্স থাকত, তবে হয়তো তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানাই যেত না।

মার্শালের টিম সাধারণ জীববিজ্ঞানের নিয়ম ব্যবহার করে টি রেক্সের সংখ্যার গণনা করে। জানা যায় যে বড় প্রাণী হলে তাদের সংখ্যার ঘনত্ব কম হয়। তার উপর টি রেক্স ছিল মাংসাশী। টি রেক্সের বেঁচে থাকার জন্য কোমোডো ড্রাগন এবং সিংহের মাঝামাঝি এনার্জি প্রয়োজন হত। যত বেশি শক্তি প্রয়োজন, জনসংখ্যার সংখ্যা তত কম। তাঁরা আরও জানিয়েছেন যে টি রেক্সের ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সের মধ্যে সেক্সুয়াল ম্যাচিওরিটি আসত। তারা বাঁচত প্রায় ২৮ বছর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.