অটোয়া: ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন এয়ার ইন্ডিয়ার ‘কনিষ্ক’ বিমান উড়িয়ে দেয় খলিস্তানি জঙ্গিরা। এই ঘটনাকেই কানাডার ইতিহাসে ‘জঘন্যতম সন্ত্রাসবাদী হামলা’ বলে মন্তব্য করলেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ত্রুদো। কণিষ্ক-তে ছিলেন ৩২৯ জন যাত্রী। শনিবার এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘ওই ঘটনার কথা জানার পর কানাডাবাসী স্তম্ভিত হয়ে যান। তাঁরা ভাবতেও পারেননি যে, এরকম একটা ঘটনা ঘটতে পারে।’

ওই ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমানে বোমা রেখে উড়িয়ে দিয়েছিল খলিস্তানপন্থী সন্ত্রাসবাদীরা। বিমানে ৩২৯ জন যাত্রীর মধ্যে ২৮০ জন কানাডার নাগরিক ছিলেন।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা সন্ত্রাসবাদী তারা শান্তি ও সুরক্ষা ছিন্নভিন্ন করতে সর্বদাই তৎপর। তারা বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীকে পরস্পরের বিরুদ্ধে হিংসায় লিপ্ত করতে চায়। তারা আমাদের বিভক্ত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কণিষ্ক বিমান হামলার কথা স্মরণ করে শনিবার ভিক্টোরিয়ায় ব্রিটিশ কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ভবনে সেখানকার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন, যতদিন না এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান হামলার অপরাধীদের কাঠগড়ায় তোলা না যাচ্ছে, ততদিন তদন্ত চলবে।

ওই ঘটনা প্রসঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ত্রুদো ছাড়াও সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হরজিৎ সজ্জন বলেছেন, দুঃখের বিষয় এখনও পর্যন্ত একজনের বেশি কাউকে কাঠগড়ায় তোলা যায়নি। বাকিরা এখনও অধরাই রয়েছে।

খলিস্তানি জঙ্গিদের একটি বড় ঘাঁটি ছিল কানাডা। কানাডা এবং ব্রিটেন থেকে খলিস্তানি জঙ্গিরা নানাভাবে সহায়তা পেত। খলিস্তানি সন্ত্রাসবাদীদের কোনও কোনও গোষ্ঠী আমেরিকাতে গিয়েও অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিত। সেই কারণেই, কণিষ্ক বিমান হামলা চালাতে তাদের সুবিধা হয়েছিল।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।