প্রতীকী ছবি

গুয়াহাটি: নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে সোচ্চার দেশের সাধারণ মানুষ। ধর্ষণের মত একের পর এক ঘৃণ্য ঘটনা প্রতিবাদে সোচ্চার গোটা দেশ। কিন্তু পরিস্থিতি রয়ে যাচ্ছে তিমিরেই তা আবারও স্পষ্ট গুয়াহাটিতে ১৮ বছরের এক তরুণীর ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসতেই।

তরুণীকে ধর্ষণের অপরাধে অসমের করিমগঞ্জ জেলার পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। গত ৫ ডিসেম্বর স্থানীয় নদী থেকে উদ্ধার করা হয় ওই তরুণীর দেহ। গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তিদের নাম ফাইজুল মিয়াঁ, সাদ্দাম হুসেন এবং আজমল হুসেন।

পুলিশি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে কালিয়াগঞ্জ পুলিশ আউটপোস্টের কাছে কাকরা নদীর ধার থেকে এক ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীর দেহ উদ্ধার করার পর  অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান ধর্ষণ করে প্রমাণ লোপাটের জন্যই তরুণীকে খুন করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি সামনে আসার পরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এরপরেই শুক্রবার অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশের তরফ থেকে জানা গিয়েছে তরুণীকে খুঁজে না পাওয়াতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা ৩ জানুয়ারী স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ জানিয়েছিল। পরে তদন্তে নেমে এই ঘৃণ্য ঘটনা সামনে এনেছে স্থানীয় পুলিশ।

গত বছরে হায়দরাবাদে দিশা কাণ্ডের পর থেকে নড়েচড়ে বসেছিল গোটা দেশ। একযোগে সকলে চেয়েছিল দ্রুত দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক। পাশাপাশি দেশের মানুষজন প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিল নারী নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে। এরপর উন্নাও‍য়ের ঘটনা সামনে আসতে প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যে খুব একটা বদলায়নি তা বোঝা গেল এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে।

পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু করার পরে তাদের অনুমান তরুণীকে ধর্ষণ করার পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে নেমে একটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর দেহ নদীতে ছুঁড়ে ফেলেছিল বলে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত ৩ জন।