জম্মু: গত বছরের ৫ অগষ্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ছিল উপত্যকা৷ আর সেই কারণে অগষ্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে ১৮ কোটি টাকার৷ এমনটা জানা গিয়েছে বণিকসভার তরফে।

যদিও নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে শিথিল করতে শুরু করেছে প্রশাসন। মনে করা হয়েছে থমকে যাওয়া অর্থনীতির হাল ফেরানোর জন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। জনসংযোগের কাজেও নেমেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।

অগষ্ট মাসের ৫ তারিখের পর থেকে জম্মু এবং কাশ্মীর থেকে পর্যটকদের সরিয়ে নিয়ে যায় সরকার। তারপর থেকেই শুরু হয় অচলাবস্থা। এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি কাশ্মীরের পরিস্থিতি। আপেল ব্যবসা বন্ধ। এছাড়াও ইন্টারনেট বন্ধ থাকার ফলে প্রভাব পড়েছে পড়াশোনার উপরেও। ব্যবসা বানিজ্যে ক্ষয়খতি হয়েছে, এমনই রিপোর্ট দিয়েছে কাশ্মীর চেম্বার অফ কমার্স। তাঁদের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী সব থেকে ক্ষতি হয়েছে পর্যটন, পরিবহন, আবাসন ও ফলের ব্যবসাতে। ৫ অগষ্ট থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাশ্মীরের দশ জেলাতে ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখে এসেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেখানকার তিনজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গৃহবন্দি থাকলেও কেন্দ্রীয় সরকার বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছে ঠিক রয়েছে পরিস্থিতি। যদিও হিসেব অনুযায়ী দেখা গিয়েছে আকর্ষণীয় হারে কমে গিয়েছে পর্যটক সংখ্যা। পাশাপাশি প্রভাব পড়েছে রফতানিতেও।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।