জেনেভা: রুশ সরকার করোনার টিকা বের করার দাবি করতেই বিশ্বজুড়ে স্বস্তি এসেছে। আরও টিকা নিয়ে চলছে গবেষণা। এরই মাঝে ধনী দেশগুলি উৎপাদিত টিকার মজুত করতে মরিয়া। এতে চিন্তিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(হু)।

করোনাভাইরাসের নতুন টিকা বিশ্বব্যাপী সমভাবে বিতরণ করতে উল্লেখযোগ্য চুক্তিতে সম্মত হল ১৫৬টি দেশ। চুক্তিতে অংশ নেওয়া দেশগুলির ৩ শতাংশ জনগণকে টিকা দেওয়া হবে।

চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, টিকা পাবেন প্রথম দফায় স্বাস্থ্যকর্মী, সমাজকর্মী, চিকিৎসকরা। হু-এর নেতৃত্বে গ্লোবাল অ্যাকসেস ফেসিলিটি বা কোভ্যাক্স প্রকল্পের মাধ্যমে টিকা সমভাবে বণ্টনের পরিকল্পনা করেছে।

হু জানিয়েছে, উচ্চ আয়ের ৬৪টি দেশ ইতিমধ্যে কোভ্যাক্সে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি দেশ ও ইউরোপীয়ান কমিশনের পক্ষ থেকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি মিলেছে। আরও দেশ যুক্ত হবে বলেই আশা। করোনা প্রতিরোধে কার্যকর টিকার ২০০ কোটি ডোজ ২০২১ সালের মধ্যে সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, দূর্বল দেশগুলিতে প্রথমে ৩ শতাংশ টিকা বরাদ্দ করা হলেও সেটি ২০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে।

জেনেভায় রাষ্ট্রসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম ঘেরবাইসিস বলেছেন, কোভাক্স বিশ্ব জুড়ে কোভিড টিকার প্রতিনিধিত্ব করছে। সবচেয়ে বেশি যারা ঝুঁকিকে আছে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

হু আশঙ্কা করছে, টিকার সরবরাহে ঘাটতি থাকবে। তাই সমবণ্টন জরুরি। টিকার উৎপাদন বাড়তে থাকলে এই সমস্যা কমবে। যতদিন টিকা সহজলভ্য না হয়, ততদিন করোনা মোকাবিলার জন্য প্রচলিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, বিশ্ব জুড়ে করোনা হামলায় ২ কোটির বেশি সুস্থ হয়েছেন। সব দেশেই সুস্থতার হার বাড়ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।