নয়াদিল্লি: সংসদে বাদল অধিবেশনের শুরুর দিনই একসঙ্গে ১৭ সাংসদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এল। জানা গিয়েছে, আক্রান্ত সাংসদদের বেশিরভাগই বিজেপির। করোনা আবহেই সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। অধিবেশনের আগে অধ্যক্ষের নির্দেশে করানো করোনা পরীক্ষাতেই জানা যায়, মোট ১৭ সাংসদ কোভিড পজিটিভ।

গোটা দেশে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। এই পরিস্থিতিতে ৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল সংসদ। সোমবার থেকে কড়া বিধি-নিষেধ মেনেই শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। অধ্যক্ষ ওম বিড়ালা আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন, প্রত্যেক সাংসদকে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। সেই মতো আগেই করোনা টেস্ট করিয়েছিলেন সাংসদরা।

রিপোর্ট আসতেই জানা গিয়েছে, ১৭ সাংসদের শরীরে বাসা বেঁধেছে করোনাভাইরাস। জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত সাংসদদের মধ্যে বেশিরভাগই বিজেপির। পদ্ম শিবিরের ১২ জন সাংসদ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ২ জন ও শিবসেনা, ডিএমকে, আরএলপির একজন করে সাংসদ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। অধিবেশন কক্ষে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সব সাংসদদের মাল্টি-ইউটিলিটি কোভিড-১৯ কিট দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাতে অধিবেশনের নিয়মেও বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে।

সোমবার সংসদে বাদল অধিবেশনের শুরুর দিনে নির্দিষ্ট দূরত্ব বিধি মেনে দুই কক্ষে বসেন সাংসদরা। সাংসদরা যাতে সবরকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন তা দেখতে এদিন শুরু থেকেই ভীষণরকম তৎপর অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। পুরনো অভ্যেসবশত সাংসদদের কেউ-কেউ উঠে দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করতেই অধ্যক্ষের কড়া অনুশাসন এদিন চোখে পড়েছে। বসে কথা বলতে সাংসদদের আবেদন করেছেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা।

করোনা আবহে এমনিতেই সংসদের কার্যপ্রণালীতে বেশ কিছু বদল করা হয়েছে। সব সাংসদদের মাল্টি-ইউটিলিটি কোভিড-১৯ কিট দেওয়া হয়েছে। সেই কিটে রয়েছে সাংসদদের ডিসপোজেবল মাস্ক, ৫টি করে এন-৯৫ মাস্ক, স্যানিটাইজার, ফেস শিল্ডস, গ্লাভস দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও অধিবেশন কক্ষের দরজা খোলা ও বন্ধের জন্য টাচ-ফ্রি হুক দেওয়া হয়েছে। এরই পাশাপাশি সাংসদদের মুখ মুছতে দেওয়া হয়েছে হার্বাল স্যানিটাইজেশন ওয়াইপস। প্রত্যেক সাংসদকে দেওয়া কিটে রয়েছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর টি-ব্যাগ।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।