দেরাদুন: ক্রমেই মারাত্মক আকার নিচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। মাঝবয়সি থেকে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অত্যধিক বেড়েছে। উত্তরাখণ্ডের(Uttarakhand) ছবি আরোই উদ্বেগজনক। বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে গত ১০ দিনে প্রায় এক হাজার শিশু করোনা আক্রান্ত হয়েছে। যাদের প্রত্যেকেরই বয়স ৯ বছরের নীচে। আক্রান্তদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আবার আশঙ্কাজনক। তাদের হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য মিলেছে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর রাজ্যে মোট ২ হাজার ১৩১টি শিশু করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। আর এবছর ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে করোনার কবলে পড়েছে ২৬৪ জন শিশু। তারপর এপ্রিলের শেষ ১৫ দিনে সেই সংখ্যা বেড়ে একলাফে হয়ে যায় ১ হাজার ৫৩।এবং ১ মে থেকে ১৪ মে পর্যন্ত করোনার কবলে পড়েছে ১ হাজার ৬১৮টি শিশু। অর্থাৎ যত দিন যাচ্ছে, ততই শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের প্রবণতা বেড়েই চলেছে।

উত্তরপ্রদেশের সোশ্যাল ডেভলেপমেন্ট ফর কমিউনিটিস ফাউন্ডেশন (SDCF)-এর সভাপতি অনুপ নাওটিয়াল উত্তরাখণ্ডের এই পরিস্থিতির জন্য সেখানকার প্রশাসনকেই দায়ী করেছেন।তাঁর অভিযোগ, করোনা পরীক্ষা ঠিকমত না হওয়ার কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

কয়েকদিন আগে তামিলনাড়ুর(Tamil Nadu) ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছিল। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী অল্প বয়স যাদের কো-মরবিডিটি নেই তারাই বেশি মারা যাচ্ছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। ২০ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ৪৯৪ জন মারা গিয়েছিল তামিলনাড়ুতে। তার মধ্যে প্রায় ২৪ জন ২৫ থেকে ৪০ বয়সের মধ্যে ছিল। গত বছরের জুলাইয়ে করোনায় মৃত্যু(Corona Death) সংখ্যা শীর্ষে ছিল। এটি তার থেকে ছয় গুণ বেশি।

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮১ হাজার ৩৮৬ জন। রবিবারের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। রবিবার ৩ লক্ষ ১১ হাজার ১৭০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গিয়েছে ৩ লক্ষের নিচে। নিঃসন্দেহে এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা অবশ্য বেড়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.