স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লকডাউনে বাংলাদেশে আটকে থাকা ১৬০ জন যাত্রীকে নিয়ে সোমবার কলকাতায় নামছে বিমান। এজন্য কলকাতা বিমানবন্দরে নিরাপত্তাজনিত সমস্ত ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কলকাতায় পৌঁছে কে কোথায় কোয়ারেন্টাইনে থাকতে চান সেইমতোই পরিবহণের ব্যবস্থা রাখা হবে বিমানবন্দরে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর তাঁদেরকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “কেন্দ্রের সঙ্গে আমাদের মুখ্যসচিবের এ বিষয়ে একাধিকবার কথা চালাচালির পর সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে যাঁরা ফিরবেন তাঁদের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা চূড়ান্ত। কেউ চাইলে নিজের খরচে হোটেলে থাকতে পারেন। সেই হোটেলগুলির তালিকা তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। যদি সরকারি ব্যবস্থাপনায় কেউ থাকতে চান, তার জন্য তিনটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রাখা হয়েছে।”

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ১৬০ জনের মধ্যে কিছু যাত্রী থাকবেন কলকাতা বিমানবন্দর লাগোয়া একটি হোটেলে এবং কয়েকজনকে রাজারহাটের একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হবে।

স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, “বিমানবন্দর থেকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যেতে যাতে কোন অসুবিধা না হয়, তার জন্য অ্যাপ নির্ভর ক্যাব পরিষেবা ও ট্যাক্সি রাখা থাকবে। ফলে কোনও সমস্যা হবে না।”

উল্লেখ্য, ‘বন্দে ভারত মিশন’-এর আওতায় প্রবাসী ভারতীয়দের নিয়ে যে সমস্ত বিমান দেশে ফিরছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গের নাম নেই কেন তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টুইটারে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রবাসী ভারতীয়দের ফেরানো নিয়েও বাংলার সঙ্গে কেন্দ্র পক্ষপাতিত্ব করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

ওই টুইটের জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব পাল্টা টুইট করে জানান,

‘‘রাজ্য সরকার সকলকে স্বাগত জানানো এবং কোয়রান্টিনে পাঠানোর ব্যবস্থা করলেই সানন্দে কলকাতায় বিমান পাঠানোর ব্যবস্থা করব আমরা।”

এরপরই গত শুক্রবার টুইট করে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর জানায়, বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া মানুষদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তারপরই বাংলাদেশ থেকে ১৬০ জনকে প্রথম বিমানে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV