বেজিং: চিন থেকে শুরু হয়েছিল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। তারপর ধীরে ধীরে চিন কার্যত দুর্গে পরিণত করে সেই উৎসস্থল উহান শহরকে। তারপর গোটা বিশ্ব এই ভাইরাসের আক্রমণে কার্যত নাজেহাল হলেও চিনের অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে যায়। গত কয়েক দিনে চীন থেকে আর নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবরও সেভাবে আসেনি।

কিন্তু এবার যে রিপোর্ট সামনে এলো তা নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের। চিনে নাকি এমন অনেক করোনা আক্রান্ত রয়েছেন যাদের শরীরে কোন উপসর্গ নেই। অর্থাৎ বাইরে থেকে একেবারে সুস্থ স্বাভাবিক হলেও তাদের শরীরের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে মারণ ভাইরাস। উপসর্গ না থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।

চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন যে রিপোর্ট দিচ্ছে তাতে বলা হয়েছে, এরকম উপসর্গবিহীন করোনা আক্রান্ত রয়েছে অন্তত ১৫৪১ জন। এর ফলে তিনি নতুন করে করো না সংক্রমণের প্রবণতা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানানো হয়েছে, গত সোমবার পর্যন্ত এরকম ১৫৪১ জন রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ২০৫ জন দেশের বাইরে থেকে এসেছেন। এরকম উপসর্গবিহীন আক্রান্ত ছাড়াও ৩৫ জন নতুন করনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে যারা দেশের বাইরে থেকে এসেছে। এর ফলে চিনের বাইরে থেকে আসা করণে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮০৬।

চিনে এই রোগে নতুন করে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে সেখানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ৩৩১২। প্রথম থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চিনে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৮১৫৫৪।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এর রিপোর্ট অনুযায়ী এমন ৪৩০০০ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে যাদের শরীরে কোনও উপসর্গ ছিলনা। এই সমস্ত আক্রান্তকে এবং তাদের সংস্পর্শে আসা লোকজনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। দুবার অন্তত টেস্ট করে নেগেটিভ রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।

যদিও করোনাভাইরাস এর নতুন আক্রান্তের কথা চেপে রেখেই তুলে নিয়েছে অনেকাংশে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।