File Pic

চণ্ডীগড়: প্রশাসনের নির্দেশকে অমান্য করার চরম মূল্য দিতে হতে পারে দেশবাসীকে। এবার এক ধাক্কায় করোনা সংক্রমণ ছড়াতে পারে ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে। এক ধর্মীয়গুরু এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন পঞ্জাব প্রদেশে।

জানা গিয়েছে, ইতালি ও জার্মানি থেকে ফিরেছিলেন ওই ধর্মীয় গুরু। অভিযোগ এরপর প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করেই তিনি গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে ধর্মীয় বাণী শুনিয়েছেন। আর এরপরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ধর্মীয়গুরু।

পরীক্ষার পর তাঁর দেহে মেলে করোনার জীবাণু। আর এরপরেই প্রশাসনিক কর্তাদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। কারণ মনে করা হছে, আক্রান্ত অবস্থায় ওই ধর্মীয়গুরু ঘুরে দেখেছেন বহু গ্রাম । মনে করা হচ্ছে, প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ ওই ধর্মীয়গুরুর সংস্পর্শে এসেছেন। সেখান থেকে ওই ১৫ – ২০ হাজার ব্যক্তির মধ্যে সংক্রমণ উড়িয়ে দেওয়ার মতো না।

ইতিমধ্যে ওই ধর্মীয়গুরুর সংস্পর্শে আসা প্রায় ১৯ জনের দেহে সংক্রমণ মিলেছে। যদি সত্যিই সংখ্যাটা শেষ পর্যন্ত ১৫-২০ হাজারে দাঁড়ায় বা নিদেন পক্ষে ৬-৭ হাজারেও দাঁড়ায় তা ভারতের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। আপাতত আরও ২০০ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে, তাঁদের রিপোর্ট এখনও এসে পৌঁছায়নি।

প্রশাসনের তরফে বলা হচ্ছে, যদি সত্যিই এই ১৫ হাজার বা তার আশেপাশের সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হন তবে নিঃসন্দেহে এটাই হবে ভারতে সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী সংক্রমণ।

বিপদের গুরুত্ব বুঝে ওই ধর্মীয়গুরু যে গ্রামগুলি ঘুরেছিলেন তেমন ১৫ টি গ্রামকে সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। কোনও অবস্থায় কেউ বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের তরফে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে দরজায়। গ্রামবাসীদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখছে মেডিক্যাল টিম। সব মিলিয়ে ধর্মীয়গুরুর এম্ন দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাণ্ডে চরম আতঙ্কে দিন কাটছে পঞ্জাবের ওই ১৫ টি গ্রামের মানুষের।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব