সিমলা: করোনা এবার থাবা বসাল হিমালচল প্রদেশের একটি বৌদ্ধ মঠে। ধর্মশালার গায়োতো তান্ত্রিক মঠে ১৫০ জন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী একসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকেরই চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশের কাংড়া জেলায় ৩০০ জন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছিল। কাংড়ার চিফ মেডিক্যাল অফিসার ড. গুরদর্শন গুপ্তা একথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে তান্ডা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎস চলছে। যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন সেই সন্ন্যাসীরা নতুন বছরে কর্নাটক থেকে দিল্লি এসেছিলেন। ওই মঠ ৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

করোনার নয়া স্ট্রেন নিয়ে এমনিতেই গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উদ্বেগ বেড়েছে। এর উপর মহারাষ্ট্র ও কেরলে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এরই পাশাপাশি আরও কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। যা নিয়ে রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সংক্রমণে লাগাম টানতে ফের কড়াকড়ি করছে মহারাষ্ট্র সরকার। ইতিমধ্যেই সেরাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকায় লকডাউন, জনতা কারফিউ জারি হয়েছে। করোার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে সরকারিস্তর থেকে নিয়মিত সতর্কবার্তা দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। দক্ষিণের রাজ্য কেরলেও চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। একইভাবে সেখানেও বিধি-নিষেধ কঠোর করা হচ্ছে।

এদিকে করোনা নিয়ে রীতিমতো আশঙ্কার কথা শোনালেন কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের অধিকর্তা শেখর সি মান্ডে। তাঁর কথায়, করোনার তৃতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ আরও বেশি বিপজজ্জনক হতে পারে। আমাদের সবরকম সতর্কতাকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে সংক্রমণের ঢেউ। এক্ষেত্রে দেশে আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়াটাও অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তিনি। মান্ডে আরও বলেন, ‘‘দেশ এখন করোনার হার্ড ইমিউনিটির কাছে পৌঁছেছে। এই পর্যায়ে আরও বেশি সতর্ক থাকা উচিত। বাড়ির বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা, পারস্পরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। করোনার তৃতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ আরও বেশি ভয়ঙ্কর হতে পারে। যা গোটা দেশকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করাতে পারে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.