মুম্বই: কবে মিলবে ১৫ লক্ষ টাকা? গত পাঁচ বছর ধরে এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন ভারতের। প্রশ্ন কঠিন হলেও খুব সহজেই উত্তর দিলেন মোদীর মন্ত্রীসভার সদস্য রাম দাস আটাওয়ালে।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচনি প্রচারে মোদী প্রতি দেশবাসীর অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এই নিয়ে গত লোকসভা ভোটের পর থেকেই বিরোধীরা নিশানা করে চলেছে বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীকে।

 

যদিও বিজেপি শিবিরের বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদী তেমন কিছুই বলেননি। তাঁর বক্তব্য ছিল যে প্রতি ভারতীয়র কাছে ১৫ লক্ষ করে টাকা থাকলে যত পরিমাণ দাঁড়াবে সমতুল টাকা বিদেশে গচ্ছিল রয়েছে। এবং সম্পূর্ণটাই রয়েছে কালো টাকা হিসেবে। তা ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী। সংবাদ মাধ্যম এবং বিরোধীরা মোদীর বক্তব্য বিকৃত করে পরিবেশন করেছে।

বিজেপি নেতারা যতোই যুক্তি দেখাক না কেন ১৫ লক্ষ নিয়ে বিবাদ কমেনি। পাঁচ বছর শেষে ফের লোকসভা ভোটের মুখে ফের ঘুরে ফিরে আসছে সেই ১৫ লক্ষের দাবি। যা নিয়ে মঙ্গলবার মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম দাস আটাওয়ালে।

এদিন মহারাষ্ট্রের সোলাপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন ভারতের রিপাব্লিকান পার্টির সভাপতি এবং মোদী সরকারের সামাজিক ন্যায় এবং ক্ষমতায়ন মন্ত্রী রাম দাস আটাওয়ালে। সেই সম্মেলনে ১৫ লক্ষ টাকা সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন। তিনি বলেন, “এক বারে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া যাবে না, ধীরে ধীরে দেওয়া হবে।”

এই ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেরি হওয়ার জন্য রিজার্ভ ব্যাংকে কাঠগড়ায় তুলেছেন আটাওয়ালে। তিনি বলেছেন, “টাকার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে দরবার করা হয়েছে। কিন্তু তারা টাকা দিচ্ছে না।” সেই কারণেই প্রতি দেশবাসীকে প্রতিশ্রুতির ১৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন মোদীর মন্ত্রী। তবে সমগ্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ার পিছনে প্রযুক্তিগত সমস্যা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন রাম দাস আটাওয়ালে।