ফাইল ছবি

শ্রীনগর: প্রথমে, ১০হাজার, তারপর ২৮হাজার এবং তার ওপরে ৩৫হাজার, এভাবেই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে কাশ্মীরে৷ সাম্প্রতিককালে জম্মু-কাশ্মীরকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে৷ আর তারই মধ্যে রবিবার সকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল উত্তর কাশ্মীরের কেরানের কাছে৷

সূত্রের খবর অনুযায়ী, খবর পেয়েই পুলিশ এবং সেনা যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়৷ স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ খোয়াজার দোকানে এই ঘটনা ঘটে৷ সেখান থেকে ১৫ গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ এই বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করা গিয়েছে, যার নাম আবদুল হামিদ বাজাড়৷

পড়ুন: পাকিস্তানকে চাপে ফেলে সফল মিসাইল পরীক্ষা ভারতের

মনে করা হচ্ছে, গ্রেনেড ফেটেই রবিবার সকালে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে৷ কেন এত গ্রেনেড রেখেছিল পারভেজ তার কারণ অনুসন্ধানে নেমেছে পুলিশ৷ এদিকে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠীরা নাশকতার ছক কষেছে। টার্গেট অমরনাথ তীর্থযাত্রীরা। গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী কাশ্মীর সরকার নির্দেশ জারি করেছে তীর্থযাত্রীদের দ্রুত ফিরে আসার জন্য। এই অবস্থার নিরিখে শনিবার ইউনাইটেড কিংডম ও জার্মানি সরকারের তরফে তাঁদের নাগরিকদের যেকোনও কাজের জন্যই কাশ্মীরকে এড়িয়ে চলার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।

কাশ্মীরের নির্দেশিকার মাত্র একদিন পর হওয়ায় এই ঘটনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুক্রবার নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘গোয়েন্দা রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে জানা গিয়েছে অমরনাথ যাত্রীদের টার্গেট করেছে পাক জঙ্গিরা। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বলা হচ্ছে, কাশ্মীর দ্রুত ছাড়ুন।’ শুক্রবারই পাকিস্তানে উদ্ধার হয়েছে পাকিস্তানের অস্ত্র কারখানায় তৈরি ল্যান্ডমাইন৷ এছাড়াও, ভারতীয় সেনার হাতে এসেছে আরও বেশ কিছু অত্যাধুনিক অস্ত্র৷

পড়ুন: বিজেপির ‘গো-মাতার’ পুজোতে পুলিশি বাধার অভিযোগ, ছড়াল উত্তেজনা

ব্রিটিশ ফরেন অফিসের একটি নির্দেশিকায় শনিবার বলা হয়েছে, “অনাকাঙ্খিত সন্ত্রাসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, বোমাবাজি, গ্রেনেড হামলা, শুটিং, অপহরণ যার বাইরে নয়।” এই পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে শহরের বাইরে যেতে বারণ করা হচ্ছে অথবা লাদাখ অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় যেতে ও কাশ্মীর থেকে জম্মু যাওয়ার জন্য বিমান ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে।