সিরিয়া: সামরিক অভিযান শুরু করেই বোমাবর্ষণ করল তুর্কি। বুধবার রাতের এই বোমাবর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে পনেরো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে ঐ পনের জনের মধ্যে প্রায় আটজন উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বাসিন্দা।

প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ আরদোগান-সহ সে দেশের শীর্ষ আধিকারিকরা একথা জানিয়েছেন, তুর্কি সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিমান আঘাত হানা শুরু করেছে বলেই জানিয়েছেন তুর্কির সেনারা। এখানকার শহর সেলানপিনার লাগোয়া উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার শহর রাস-আল-আইনে বেশ কয়েকটি প্রবল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। এ বিষয়ে একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি বহুতল থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গিয়েছে। এছাড়া শহরের ওপরে যুদ্ধবিমানের আনাগোনা এবং নজরদারি চলছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে কুর্দ নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরেই সেখানকার কুর্দ মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন কুর্দ প্রেসিডেন্ট। এই অভিযানের পোশাকি নাম ‘অপারেশন পিস স্প্রিং’। সিরিয়ার কুর্দিশ YPG মিলিশিয়া এবং IS-এর বিপদের হাত থেকে সিরিয়াকে মুক্ত করা এবং ‘সেফ জোন’ গঠনের মাধ্যমে তুর্কিতে আশ্রয় নেওয়া সিরিয়ানদের দেশে ফেরার পথ মসৃণ করতে এই পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তুর্কির প্রেসিডেন্ট বলেন ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ‘তুর্কির দক্ষিণ সীমান্তে জঙ্গি করিডর তৈরি না হতে দেওয়া এবং ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা আমাদের এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। সিরিয়ার ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং সন্ত্রাসবাদীদের হাত থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের আমরা রক্ষা করব।’ সিরিয়ায় IS বিরোধী অভিযানের নেতৃত্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের হাতে তুলে দিয়েছে বলে গত বুধবার তুর্কি সরকার জানিয়েছিল। শীঘ্রই তুর্কি সেনা সিরিয়া সীমান্তে অভিযান চালাবে এরও আভাস দেওয়া হয়েছিল আগেই।

উল্লেখ্য, এই ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের এতদিন সমস্ত ধরনের সহায়তা করে আসছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের মোটেই খুশি করতে পারেনি। তারা এই পদক্ষেপকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে ব্যখ্যা দিয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও