মুম্বই: বাংলা সহ দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আবহেই বেজে গেল চতুর্দশ আইপিএলের দামামা। গতকালই পিটিআই’য়ের একটি সূত্র মারফৎ দাবি করা হয়েছিল ৯ এপ্রিল শুরু হতে পারে এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগ। সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিয়ে রবির বারবেলায় আইপিএলের দিনক্ষণ এবং পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই।

কোভিডের কারণে দু’বছর পর দেশের মাটিতে কোটিপতি লিগের প্রত্যাবর্তন ঘটলেও সর্বসাকুল্যে মোট ৬টি ভেন্যুকে বেছে নেওয়া হয়েছে গোটা টুর্নামেন্টের জন্য। তালিকায় রয়েছে মুম্বই, দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং আমদাবাদ। চতুর্দশ আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়ছে আগামী ৯ এপ্রিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩০ মে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল খেলার সুযোগ পেলেও নিজেদের হোম গ্রাউন্ডে খেলার সুযোগ হচ্ছে না কোনও দলেরই।

আগামী ৯ এপ্রিল চেন্নাইয়ে চতুর্দশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৩০ মে ফাইনালের পাশাপাশি প্লে-অফের ম্যাচগুলিও অনুষ্ঠিত হবে আমদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে। প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল গ্রুপ পর্বে সর্বাধিক চারটি করে ভেন্যুতে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে। ৫৬টি লিগ ম্যাচের মধ্যে চেন্নাই, মুম্বই, কলকাতা এবং বেঙ্গালুরু আয়োজন করবে ১০টি করে ম্যাচ। দিল্লি এবং আমদাবাদে অনুষ্ঠিত হবে লিগের ৮ টি করে ম্যাচ।

একইসঙ্গে জানিয়ে রাখা ভালো বিসিসিআই’য়ের তরফে স্টেডিয়ামে দর্শক প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা হয়নি। তবে পরবর্তীতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্টেডিয়ামে দর্শক প্রবেশাধিকারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। ১১ এপ্রিল চেন্নাইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ দিয়ে চতুর্দশ আইপিএলে অভিযান শুরু করতে চলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০২১ আইপিএলে ডাবল-হেডারের সংখ্যা ১১টি। সন্ধের ম্যাচ শুরু হবে ৭টা ৩০ মিনিটে আর ডাবল-হেডারের প্রথম ম্যাচগুলিতে বল গড়াবে বিকেল ৩টে ৩০ মিনিটে।

উল্লেখ্য, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ইডেনে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্ট শুরুর একমাস পর অর্থাৎ ৯ মে। ওইদিন ক্রিকেটের নন্দনকাননে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর খেলবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।