লন্ডন-ইসলামাবাদঃ আগামী ১৩ জুলাই দেশে ফিরছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। দুর্নীতির দায়ে ইতিমধ্যে ১০ বছরের জেল হয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। দেশে ফিরেই জেলে যেতে হবে তাকে। শুধু শরিফ নিজে নয়। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই আসবেন মরিয়ামও। পাকিস্তানের মাটিতে পা দিলেই তাদের দুজনকেই গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আদালতের রায়ে ১০ দিনের মধ্যে দোষী দুজনকেও আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছ আদালত।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি মামলায় শুক্রবার নওয়াজ শরিফকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। নওয়াজের সঙ্গে তার মেয়ে মরিয়মকেও সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শ্যালক ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত সফদারকে এক বছরের কারদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নওয়াজকে ৮০ লাখ এবং মরিয়মকে ২০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। বেশ কয়েকদিন ধরে শুনানির পর গত আদালত এই নির্দেশ জানায়।

কিন্তু স্ত্রী বেগম কুলসুম নওয়াজের চিকিৎসার জন্য গত ১৪ জুন সপরিবারে লন্ডন যান নওয়াজ শরিফ। অ্যাভেনফিল্ড এলাকার একটি বাড়িতে বসেই মেয়ে মরিয়ম আর প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ইসহাক ধরের সঙ্গে বসে মামলার রায় ঘোষণা শোনেন তিনি। আর তার শ্যালক অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন সফদার আসন্ন ২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের প্রচারে খাইবার পাখতুন প্রদেশের মানেসরা এলাকায় ছিলেন। সেখান থেকেই রায় শুনেছেন তিনি। রায় শোনার পর স্ত্রীকে নিয়ে হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে রওনা দেন নওয়াজ।

রায় ঘোষণার আগে মেয়ে মরিয়ম এক টুইটার বার্তায় নওয়াজকে পিএমএল-এন এর সিংহ অভিহিত করে বলেন, রায় যাই হোক না কেন কোনও কিছুতেই ছাড় দেওয়া হবে না। পরে আরেক টুইটে তিনি লেখেন, ‘এসব কোনও কিছুই নওয়াজ শরিফের জন্য নতুন নয়, অতীতে নির্বাসন, অযোগ্যতা এমনকি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ সামলেছেন তিনি।’।