তিরুঅনন্তপুরম: কেরলের ইদুক্কি জেলায় অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ভূমিধসে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। প্রথমে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও, এখন জানা যাচ্ছে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।

এছাড়া আরও ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা মুন্নারের টাটা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার প্রতি দুই লাখ টাকা ও আহতদের পরিবারের প্রতি ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষনা করা হয়।

অন্যদিকে ভূমিধসের পরিস্থিতির উপর নজর রেখে এরনাকুলাম, ইদুক্কি, থ্রিসুর, পালাক্কাড, কোজিকোডে, ওয়ানাদ, কান্নুর, কাসারগূড অঞ্চলে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। যার অর্থ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। মালাপ্পুরমের জন্য জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে সাইলাজা বলেছেন, ইতিমধ্যেই মেডিক্যাল টিম এবং ১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স ইদুক্কিতে পাঠানো হয়েছে। যারা আহত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও দল যাবে বলেও জানানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।

অতি বৃষ্টিতে একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। কেরলের একাধিক জায়গায় অগাস্টের ১১ তারিখ অবধি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত মুন্নার। ২০১৮ সালের বন্যাতেও এই এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এইবার টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে রীতিমত বানভাসী বিস্তীর্ণ এলাকা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও