নয়াদিল্লি: দু’বছর বন্ধ থাকার পর ফের চালু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপ। তবে রাজধানী নয়াদিল্লিতে নয়, ১২৯ তম ডুরান্ডের আসর বসছে বাংলার মাটিতে। খেলাগুলি হবে কলকাতা, শিলিগুড়ি ও কল্যানীর স্টেডিয়ামে।

ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের অপেশাদারিত্বে ২০১৬ পর আর অনুষ্ঠিত হয়নি এশিয়ার প্রাচীন এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। আই লিগ, আইএসএল ও সেনার চারটি দল মিলিয়ে মোট ১৬ টি ক্লাবকে নিয়ে ফের ফিরছে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপ। অগাস্টের ২-২৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট। ২০১৬ টুর্নামেন্টের অন্তিম সংস্করণে পাহাড়ি দল নেরোকা এফসি’কে হারিয়ে ট্রফি ঘরে তুলেছিল আর্মি গ্রিন। ২ অগাস্ট সল্টলেক স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মোহনবাগান বনাম মহামেডান স্পোর্টিং। অর্থাৎ কলকাতা ডার্বি দিয়েই ঢাকে কাঠি পড়ছে ১২৯ তম ডুরান্ড কাপের।

২৪ অগাস্ট টুর্নামেন্টের ফাইনালও অনুষ্ঠিত হবে ওই একই ভেন্যুতে। প্রত্যেকটি ক্লাব অন্ততপক্ষে ২২ এবং সর্বোচ্চ ২৭ জন ফুটবলারকে নিজেদের স্কোয়াডে রাখতে পারবে। স্কোয়াডে ৪ জন বিদেশিকে অন্তর্ভুক্তি করার অনুমতি দেওয়া হলেও মাঠে একই সময়ে ৩ জনের বেশি বিদেশি খেলানোর অনুমতি পাচ্ছে না ক্লাবগুলি। ১৬ টি দলকে ভাগ করা হয়েছে ৪ টি গ্রুপে। প্রতি গ্রুপের সেরা দল সুযোগ পাবে টুর্নামেন্টের শেষ চারে যোগ্যতা অর্জনের। গ্রুপ ‘এ’র বিজয়ী সেমিতে মুখোমুখি হবে গ্রুপ ‘ডি’ বিজেতার সঙ্গে। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’ চ্যাম্পিয়ন শেষ চারের লড়াইয়ে খেলবে গ্রুপ ‘সি’ চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে।

নক-আউট পর্যায়ে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচ অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হলে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও ফলাফল না হলে টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হবে ম্যাচের। ১৯৮৮ প্রথমবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল ডুরান্ড কাপ। নিজেদের অপেশাদারিত্বে দু’বছর বন্ধ থাকার পর ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় ফের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল টুর্নামেন্টকে ফেরানোর উদ্যোগ নিল ফেডারেশন।

একনজরে ডুরান্ডের গ্রুপবিন্যাস:

গ্রুপ ‘এ’: বেঙ্গালুরু এফসি, ইস্টবেঙ্গল, জামশেদপুর এফসি, আর্মি রেড
গ্রুপ ‘বি’: মোহনবাগান, নেভি, মহামেডান স্পোর্টিং, এটিকে
গ্রুপ ‘সি’: চেন্নাই সিটি এফসি, রিয়াল কাশ্মীর এফসি, এফসি গোয়া, আর্মি গ্রিন
গ্রুপ ‘ডি’: গোকুলাম কেরালা এফসি, চেন্নাইয়িন এফসি, ট্রাউ এফসি, এয়ার ফোর্স।