ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত নিকেশ করা হয়েছে ১২৬ জন জঙ্গিকে৷ এমনই তথ্য প্রকাশ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ বুধবার রাজ্যসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রক৷ এছাড়াও গত সাড়ে তিন বছরে প্রায় ২৭ জন অভিযুক্ত জঙ্গিকে প্রত্যপর্ণ করেছে ভারত বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানায় জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলছে কেন্দ্র৷ দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরে এই ইস্যুতে সেনাবাহিনীকে রীতিমত কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মোদী সরকার৷ ইন্টারপোলের সাহায্যে ভারত সরকার ১৬জন জঙ্গিকে সাফল্যের সাথে পাকরাও করেছে বলে তথ্য দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷

আরও পড়ুন : পাক ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন প্রতিষ্ঠায ভারতের ছিল হাতিয়ার পুরানো তিন মামলা

২০১৮ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ২৪৷ ২০১৭ সালে ৩৫ ও ২০১৬ সালে ইন্টারপোলের সাহায্যে ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা গিয়েছিল৷ ২০১৯ সালের জুন অবধি ভারতের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অভিযুক্তদের নামে ৪১টি রেড কর্ণার নোটিশ জারি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে ৩২টি নোটিশ প্রকাশিত হয়েছে৷ ২০১৬ সালে সিবিআই ৯১টি নোটিশ পাঠিয়েছিল, যার মধ্যে ৮৭টা প্রকাশিত হয়৷ ২০১৭ সালে ৯৪টি নোটিশের মধ্যে ৮৭টা প্রকাশিত হয়৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, বালাকোটে স্ট্রাইকের পর অনুপ্রবেশ কমেছে ৪৩ শতাংশ। ২০১৯-এর প্রথম দিকের রিপোর্ট তেমনটাই বলছে। ২০১৪ সালের পর থেকে ৯৬৩ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে বলে রিপোর্ট জানাচ্ছে৷
সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীপাদ নায়েক রাজ্যসভায় জানান ২০১৮ সালে জম্মু কাশ্মীরে ৩১৮টি সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে যা সংখ্যায় ১৮৭টি বেশি৷

আরও পড়ুন :সিনে পর্দায় নয়, বাস্তবে ভিনগ্রহের প্রাণীদের চাক্ষুস করতে তৈরি থাকুন

এর আগে বায়ুসেনা প্রধানও বলেন, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর থেকেই ভারতীয় নিয়ন্ত্রণরেখা পার করার সাহস দেখায়নি ইসলামাবাদ৷ বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া দাবি করেছিলেন পাকিস্তান যতই নিজের আকাশপথ ভারতের জন্য বন্ধ করে রাখুক, তাতে বিশেষ কিছু প্রভাব পড়ে না নয়াদিল্লির৷

এয়ার চিফ মার্শাল বলেন পাকিস্তানের সঙ্গে দুরত্ব বজায় রাখলেও, অসামরিক বিমান চলাচলে ভারতের তরফে কোনও প্রভাব পড়েনি৷ বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারতীয় বায়ুসেনা নিজেদের গৌরব বজায় রেখেছে৷ বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর এতটাই ভয় পেয়েছে পাকিস্তান, যে একটি পাক জেটও তারপর থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা পার করার সাহস দেখায়নি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.