প্রতীকী ছবি

আহমেদাবাদ: বেলাগাম সংক্রমণ গোটা দেশে৷ গুজরাতেও করোনার চোখ রাঙানি জারি৷ দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি গুজরাতেও প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ফের একবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। রাজ্য়ের করোনা মোকাবিলায় এবার বড়সড় পদক্ষেপ। টাটা গোষ্ঠীর সহায়তায় গুজরাতে এবার নতুন ১২০০ বেডের কোভিড হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে।

যে হাসপাতালে সংকটপন্ন রোগীদের জন্য থাকবে ৬০০টি ICU বেড। এছাড়াও গুজরাতের ধনবন্ত্রী কোভিড হাসপাতালও শনিবার থেকে পুরোদমে চালু হয়ে যাবে। এই হাসপাতালেও রয়েছে ৯৫০টি বেড, থাকছে আড়াইশো ICU বেড। অন্য একাধিক রাজ্যের চেয়ে ICU বেডের সুবিধা গুজরাতেই বেশি। শুক্রবার আহমেদাবাদে এমনই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

করোনার সেকেন্ড ওয়েভ তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশজুড়ে। রাজ্যে-রাজ্যে সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি। অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি গুজরাতেও মাত্রাছাড়া সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ৩৮৬। রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৮৭৭। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিতে শুরু করেছে।

তবে করোনা মোকাবিলায় পুরোদমে কাজ করছে গুজরাত সরকার। এদিন আহমেদাবাদে গিয়ে এমনই জানিয়েছেন রাজ্যের সাংসদ তথা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শীঘ্রই গুজরাতে টাটা গোষ্ঠীর সহায়তায় নতুন ১২০০ বেডের কোভিড হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে। যে হাসপাতালে সংকটপন্ন রোগীদের জন্য থাকবে ৬০০টি ICU বেড।

দেশে করোনার সংক্রমণে লাগাম টানা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৩০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৬৩ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯২০ জনে। অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ২৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৬১৬। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি। দেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভে তরুণ-তরুণীরাও অনেক বেশি সংখ্যায় সংক্রমিত হচ্ছেন। সেকেন্ড ওয়েভে দেখা যাচ্ছে আক্রান্তদের ৬০ শতাংশের বয়সই ৪৫ বছরের নীচে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.