ওয়াশিংটনঃ  বড়সড় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আমেরিকা। সেখানকার একটি অ্যাভিয়েশন প্লান্টে বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কানসাসের উইচিতা এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল প্লান্টের একাংশ সম্পূর্ণ উড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ বহুদুর থেকে শোনা যায় বলে জানাচ্ছে একাধিক বিদেশি সংবাদমাধ্যম। ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুতগতিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। কারণ বিস্ফোরণের পরেই প্লান্টে আগুন লেগে যায়। তবে কি কারনে এই বিস্ফোরণের ঘটনা তা এখনও জানা যায়নি। এর মধ্যে কোনও নাশকতা রয়েছে কিনা তাও উড়িয়ে দিতে পারছেন না। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফাইল ছবি

যদিও এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণের ফলে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনায় ১২জন গুরুতর জখম হয়েছে বলে জানা যায়। প্লান্টের মধ্যেই কাজ করার সময় তারা আহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জখম সবাইকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, যে প্লান্টে এই বিস্ফোরণ হয় সেটির বিচক্রাফট প্লান্ট। টেক্সট্রোন অ্যাভিয়েশনের অধীনে এই সংস্থা। সিঙ্গেল এবং দুটি ইঞ্জিনের এয়ারক্র্যাফট তৈরি হত এই প্লান্টে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।