চণ্ডিগড়: হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে ১১৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন৷ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার শেষ দিন ছিল ৭ অক্টোবর৷ নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে চিহ্ন প্রদান করেছেন৷ যুগ্ম মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এই তথ্য জানিয়েছেন৷ আম্বালায় ৩৬ জন, ঝাঝরে ৫৮, কৈথালে ৫৭, কুরুক্ষেত্রে ৪৪, শির্শায় ৬৬, হিসারে ১১৮ জন প্রার্থী রয়েছে৷ তিনি আরও জানিয়েছেন, যমুনাগড়ে ৪৬ জন, মহেন্দ্রগড়ে ৪৫ জন, চরখিতে ২৭ জন, রেওয়ারিতে ৪১ জন, ৬৩ জন জিন্দে, ২৪ জন পঞ্চকুলায়, ৫০ জন ফতেহাবাদে নির্বাচনে লড়াই করবে৷ এছাড়া রোহতক জেলার ৫৮ জন, ৪০ পানিপতে, ৩৫ জন মেওয়াতে, ৭২ জন সোনিপতে, ৬৯ জন ফরিদাবাদে, ৭১ জন ভিওয়ানি, ৫৯ জন কার্নালে, ৫৪ জন গুরগাঁওয়ে, ৩৫ জন পালওয়ালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন৷

হরিয়ানায় শাসক বিজেপি ‘মিশন ৭৫’ এর লক্ষে কাজ করছে। কিন্তু, কাজটা এতটাই সহজ কী? হরিয়ানায় বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। তবে অন্যান্য যে দল গুলি রয়েছে – ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দল, জননায়ক জনতা পার্টি, বিএসপি, এম আদমি পার্টি স্বয়ং এস পি। কৃষি, বেকারত্ব, জল সংরক্ষণ কিংবা বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মানুষের কাছের নির্বাচনের প্রধান ইস্যু।

অন্যদিকে, বিজেপি পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, মোদী সরকারের কৃতিত্ব, রাজ্যে এন এর সি এবং আর্টিকেল ৩৭০ বিলোপকেই ইস্যু করছে। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের হাত শূন্য করে ১০ টি আসন-ই দখল করেছিল বিজেপি। বিধানসভায় কি হবে তা ২১ অক্টোবর ভোট হয়ে যাওয়ার পর বোঝা যাবে। তবে হরিয়ানায় বিজেপি বিরোধীরা শক্তিশালী নয়। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দল ভাগ হয়ে গিয়ে জননায়ক জনতা পার্টি তৈরি হয়েছে। একসময় দেবী লালের তৈরি লোকদলের মূল সমস্যা চৌতালা পরিবারে ভাঙ্গন। সেই কারণেই বিজেপি কে শক্তিশালী দেখাচ্ছে। কারণ, কংগ্রেস লোকসভায়েই কিছু করতে পারেনি।