নয়াদিল্লি : আত্মনির্ভর ভারত। দেশে তৈরি ১১৩০০টি ভেন্টিলেটর পাঠানো হল হাসপাতালগুলিতে। মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে এই ভেন্টিলেটরগুলি তৈরি হয়েছে। ১১,৩০০টি ভেন্টিলেটর হাসপাতালগুলিতে পাঠাবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৬১৫৪টি ভেন্টিলেটর ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে হাসপাতালগুলিতে। নয়াদিল্লিতে শনিবার এক ট্যুইট বার্তায় এখবর জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন ভেন্টিলেটরের পাশাপাশি, অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। প্রায় ১.০২ লক্ষ অক্সিজেন সিলিন্ডার পেয়েছে হাসপাতালগুলি। ৬.১২ কোটি এইচসিকিউ বা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন বিতরণ করা হয়েছে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে।

এর আগে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়ে ছিলেন করোনা রোগীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে করোনা পরীক্ষার সংখ্যাও। খুব দ্রুত করোনা পরীক্ষার সংখ্যা ছুঁতে চলেছে এক কোটির ঘর। বৃহস্পতিবার এমনই জানাল কেন্দ্র। এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গোটা দেশে ল্যাবের মাধ্যমে মোট করোনা পরীক্ষার সংখ্যা ৯০,৫৬,১৭৩।

খুব তাড়াতাড়ি এই সংখ্যাটা এক কোটির ঘর ছাঁড়াবে বলে আশাবাদী কেন্দ্র। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন গোটা দেশে ১০৫৬টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। এর মধ্যে ৭৬৮টি সরকারি ল্যাব ও ২৯৭টি বেসরকারি ল্যাব। করোনা পরীক্ষার সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। পয়লা জুলাই দেশে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা ছিল ২,২৯,৫৮৮।

কেন্দ্র জানিয়ে দেয় রেজিস্টার্ড চিকিৎসক যদি করোনা টেস্টের নির্দেশ দেন, তবে করোনা পরীক্ষা করা যাবে। শুধু সরকারি চিকিৎসকের নির্দেশ না হলেও চলবে। রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্রের কড়া নির্দেশ দ্রুত করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে। আইসিএমআরের গাইডলাইন প্রকাশিত হয়েছে, তা মেনেই পরীক্ষা করতে হবে।

প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে নিয়মে বদল এনেছে ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’ বা আইসিএমআর।

আইসিএমআর-এর নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে এবার আরও চিকিৎসকদের লিখিত পরামর্শ বাধ্যতামূলক নয়। যে কেউ চাইলেই দেশের যে কোনও ল্যাবরেটরি থেকে তাঁর করোনা পরীক্ষা করাতে পারবেন। ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্যকে এই মর্মে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

দেশে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। প্রতিদিন রেকর্ড ব্রেক করছে করোনা ভাইরাসের বিস্তার। শুক্রবার সংক্রমণ ছড়ানোয় দেশে ফের নতুন রেকর্ড। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হলেন ২২ হাজার ৭৭১ জন। আরও মৃত্যু হয়েছে ৪৪২ জনের।

নতুন মৃত্যু ও সংক্রমণের জেরে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩১৫ তে। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ২ লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৪ হাজার মানুষ ও মৃত্যু হয়েছে ১৮,৬৫৫ জনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.